সংবাদ শিরোনাম

 

বাংলাদেশ রোড ট্রান্সপোর্ট অথরিটি (বি.আর.টি.এ) ময়মনসিংহের অফিসে র‌্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব) অভিযান চালিয়ে দালাল চক্রের ১৪ জন সদস্যকে আটক করেছে ।

র‌্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব)-১৪ সিপিসি কোম্পানী কমান্ডার মেজর আখের মোহাম্মদ জয়ের নেতৃত্বে রবিবার দুপুরে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের প্রাঙ্গনে বিআরটিএ অফিসে অভিযানে দালাল চক্রের ১৪ জনকে আাটক করা হয়। এ সময় তাদের কাছ থেকে মোটর ড্রাইভিংয়ের প্রচুর কাগজপত্র উদ্ধার করা হয় ।

আটককৃতরাা হলো, ভুট্টো মিয়া, সোহেল, কমল, রিজওয়ান, জুয়েল, আক্তারুজ্জামান রনি, শহিদুল ইসলাম, ফয়েজ, মোফাজ্জল, বানু সেন, স্বপন, শাহাজাদা ও জাহাঙ্গীর আলম।
পরে বিআরটিএ অফিসের সামনে উন্মুক্ত স্থানে জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মনোরঞ্জন বর্মণের ভ্রাম্যমান আদালতে আটককৃতরা স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেয়। আদালত ১১জন দালাল ১ হাজার টাকা করে জরিমানা এবং ৩ জনকে মুচলেকার মাধ্যমে ছেড়ে দেয়া হয়েছে।

র‌্যাব ও স্থানীয় সুত্র জানায়, ময়মনসিংহ বিআরটিএ অপিস কেন্দ্রীক অর্ধশত দালালচক্রের একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। উল্লেখিত দালালচক্র দীর্ঘদিন ধরে অসহায় ও সাধারণ মোটর শ্রমিক ও মোটর সাইকেলদেরকে দ্রুত সময়ে চালক লাইসেন্স পাইয়ে দিতে মোটা অংকের অর্থি হাতিয়ে নিয়ে নানাভাবে হয়রানী করে আসছে। দালালচক্রের ফাদে পা দিয়ে লাইসেন্স না পেয়ে মাসের পর মাস ঘুরছে। এতে দুর্ভোগ বেড়েই চলছে। অভিযোগ রয়েছে, চক্রটি দ্রুত সময়ে মোটর সাইকেলের চালক লাইসেন্স করে দিতে ২/৩ হাজার টাকা এবং মোটর ড্রাইভিং লাইসেন্স পাইয়ে দিতে ৮/১০ হাজার টাকা পর্যন্ত আদায় করছে। এছাড়াও মোটর সাইকেলের কাগজ (লাইসেন্স) করে দিতে ৪/৫ হাজার টাকা এবং সিএনজির কাগজ করে দিতে ৭/৮ হাজার টাকা পর্যন্ত আদায় করে আসছে। দালালদের চাহিদামত টাকা দেওয়ার পরও সময়মত মোটরসাইকেল ও সিএিনজির সঠিক কাগজপত্র না পেয়ে অনেকেই এক থেকে দুই আড়াই বছর পর্যন্ত ঘুরছে। দুর্ভোগের শিকার হওয়া অনেকের মতে, এ সব দালালদের সাথে অফিস কর্তাদের যোগসাজস রয়েছে। তাদের মতে, দালালরা গ্রাহকদের কাছ থেকে যতই আদায় করুক না কেন, অফিস কর্তাদের বেধে দেওয়া রেইটে তাদেরকে উৎকোচ দিতেই হবে। অন্যথায় লাইসেন্স মিলবে না।


মতামত জানান :

 
 
আরও পড়ুন
 
কপিরাইট © ময়মনসিংহ প্রতিদিন ডটকম - সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত | উন্নয়নে হোস্টপিও.কম