সংবাদ শিরোনাম

 

নেত্রকোনার দুর্গাপুরের সোমেশ্বরী নদীতে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে মানুষকে ফেরি দিয়ে নদী পারাপার হতে হয়। এলাকাবাসীর দীর্ঘদিনের দাবী শিবগঞ্জ-দুর্গাপুরের সোমেশ্বরী নদীর ওপর সেতু নির্মাণ।

এ নিয়ে বুধবার দুর্গাপুর পৌরসভার ফেরিঘাট এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, কোভিড এর কারনে বন্ধ থাকা স্কুল-কলেজ খুলে দেয়ায় শিক্ষার্থীসহ সোমেশ্বরী নদীর দুই পাড়ের মানুষের পারাপারের জন্য ইঞ্জিনচালিত নৌকা থাকলেও অদক্ষ চালকের কারনে প্রায় প্রতিনিয়তই ঘটছে ছোটখাটো দুর্ঘটনা। নদীতে সেতু নির্মিত না হওয়ায় নদী পারাপারের মানুষসহ বিভিন্ন মালামাল পরিবহনেও ভোগান্তিতে পড়তে হয় দুই পাড়ের মানুষকে। নদীতে যখন পানি বাড়ে তখন একটি ছোট নৌকায় করে ৮-১০টি মোটরসাইকেলসহ ২৫-৩০জন মানুষ নিয়ে নদী পার হওয়া যে কতটা ঝুঁকিপূর্ণ তা না দেখলে বিশ^াস করা কঠিন। নদীর দুই পাড়েও যাত্রী উঠানামায় রয়েছে নানা সমস্যা। ঘাটে ইজারাদারের নৌকা থাকলেও ব্যক্তি পর্যায়ে পারাপারের নৌকা না থাকায় দীর্ঘক্ষন দাড়িয়ে থাকতে হয় সাধারণ যাত্রীদের। নদীতে অপরিকল্পিত ভাবে বালু উত্তোলন ও নদীর পানি উঠা নামা করায় দু‘একদিন পর পরই পারাপারের জন্য নির্ধারিত ঘাট পরিবর্তন করতে হয়। ইঞ্জিন চালিত নৌকা দিয়ে যাত্রী পারাপার করলেও নদীতে অতিরিক্ত পানি থাকলে নিরাপত্তা হীনতায় ভোগেন সাধারণ যাত্রীগন। নদীর ওপর সেতু নির্মাণ করা এখন সময়ের দাবি হয়ে দাড়িয়েছে। এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছেন ভোক্তভুগি এলাকাবাসী।

নেত্রকোনা সড়ক ও জনপথ বিভাগের (সওজ) নির্বাহী প্রকৌশলী মো. হামিদুল ইসলাম যুগান্তর কে জানান, দুর্গাপুর-শিবগঞ্জ ঘাট দিয়ে মানুষ ও মালামাল পারাপারে সরকারি ফেরি দেওয়া প্রয়োজন। ইতিমধ্যে স্থানীয় সংসদ সদস্য মানু মজুমদার স্যার উর্দ্ধতন মহলের সাথে ফেরি প্রদানসহ সেতু নির্মানের বিষয়ে যোগাযোগ অব্যাহত রেখেছেন।

দুর্গাপুর-শিবগঞ্জ ঘাট দিয়ে পারাপারের দুর্ভোগ নিয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার রাজীব-উল-আহসান যুগান্তর কে বলেন, ঘাটের দুই পার দিয়ে যাত্রী পারাপারের সমস্যার কথা আমি শুনেছি। ঘাট ইজারাদারদের সাথে কথা বলে পারাপারের জন্য নৌকা বাড়ানোসহ যাত্রী দাড়ানোর জায়গা বাড়াতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।


মতামত জানান :

 
 
আরও পড়ুন
 
কপিরাইট © ময়মনসিংহ প্রতিদিন ডটকম - সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত | উন্নয়নে হোস্টপিও.কম