সংবাদ শিরোনাম

 

ময়মনসিংহে কোতোয়ালি পুলিশের আরো একটি মানবিক দায়িত্ববোধ সম্পন্ন কাজে অন্তঃসত্বা নারী ফিরে পেলো নতুন জীবন। ঐ নারীর নাম সোমা। সে নগরীর জে সি গুহ রোডের জনৈক আব্দুল হাকিমের স্ত্রী।

প্রাপ্ত তথ্যে জানা গেছে, সোমবার দিবাগত রাত দুইটার দিকে কোতোয়ালী মডেল থানার ওসি শাহ কামাল আকন্দ জরুরী সেবা ৯৯৯ এর মাধ্যমে খবর পান, নগরীর জে সি গুহ রোডে জনৈক আব্দুল হাকিমের স্ত্রী সোমা (২৫) প্রসব ব্যাথায় তালা বন্ধ ঘরে একাকী কাতরাচ্ছে। দায়িত্বশীল মানবিক ওসি শাহ কামাল আকন্দ এ ধরণের খবরে তাৎক্ষনিক এস আই শুভ্র সাহাকে নির্দেশ দেন বন্ধি থাকা নারীকে উদ্ধার কওে চিকিৎসার নির্দেশ দেন।

ওসির এ ধরণের নির্দেশে এসআই শুভ্র সাহা সঙ্গীয় ফোর্সসহ রাত্রকালীন ডিউটিকালে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়। এ সময় পুলিশ দল স্থানীয় লোকজনের কাছে জিজ্ঞাসাবাদে জানতে পারে বাসার সামনের দিকের তালা বন্ধ দোকান ঘর দিয়ে ঐ নারীর বাসায় ঢোকা সম্ভব নয়। ওসির দায়িত্বশীল নির্দেশনায় পুলিশ দল উপস্থিত লোকজনের সহযোগিতায় বাড়ির পিছনের দিকের বাথরুমের দেয়াল ভেঙ্গে অন্তঃসত্ত্বা সোমাকে উদ্ধার করে অজ্ঞান অবস্থায় দ্রুত চিকিৎসার জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায়।

জরুরি বিভাগের ডাক্তার সোমাকে তৎক্ষণাৎ লেবার ওয়ার্ডে ভর্তি করে। পাঁচ মাসের অন্তঃসত্ত্বা অবস্থায় মিসক্যারেজ জনিত কারণে হাসপাতালে ডিএমসি করানো হয়

। সোমার মারাত্মক রক্তশূন্যতা সহ শ্বাসকষ্ট দেখা দেয়। পরবর্তীতে সোমাকে ওটিতে নেওয়া হয়েছে। বর্তমানে সোমা সুস্থ আছেন। এ ব্যাপারে কোতোয়ালি মডেল থানার ওসি শাহ কামাল আকন্দ বলেন, জরুরী সেবা ৯৯৯ এর মাধ্যমে রাত দুইটার দিকে খবর পাই। যে কোন উপায়ে ঐ নারীকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিতে নির্দেশ দেই। পুলিশ তাদের কাজ করেছে। মধ্যরাতে দেয়াল ভেঙ্গে অন্তঃসত্বা নারীকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেয়ার ঘটনায় স্থানীয়রা কোতোয়ালি পুলিশের মানবিকতার প্রসংশা করে। স্থানীয়রা দাবি করছেন এর আগে কোন পুলিশ অফিসার এ ধরনের মানবিক কাজে এগিয়ে আসেনি।

এ খবর নগরময় ছড়িয়ে পড়লে পুলিশকে নিয়ে প্রসংশা করতে কোন ধরনের কৃপনতা করেনি ময়মনসিংহবাসি।


মতামত জানান :

 
 
আরও পড়ুন
 
কপিরাইট © ময়মনসিংহ প্রতিদিন ডটকম - সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত | উন্নয়নে হোস্টপিও.কম