সংবাদ শিরোনাম

 

আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে দ্বিতীয় প্রস্তুতি ম্যাচে বাংলাদেশের বোলিং ভালো হলো না।

আবু ধাবিতে টস জিতে ব্যাটিং করতে নেমে ৩ উইকেটে ১৭৭ রান করে আয়ারল্যান্ড। জয়ের জন্য বাংলাদেশকে করতে হবে ১৭৮ রান।

আইরিশ ব্যাটসম্যান গ্যারেথ ডিলানি ৫০ বলে ৮৮ রান রানের ঝড়ো ইনিংস খেলেন। মাত্র ৩টি চার হাঁকান তিনি। তবে আবু ধাবির মাঠে ছক্কা বৃষ্টি নামান। দলের ৯টি ছয়ের ৮টিই হাঁকিয়েছেন তিনি। তার ব্যাটেই লণ্ডভণ্ড বাংলাদেশের বোলিং আক্রমণ। শেষ ৪ ওভারে বাংলাদেশের বোলিং ছিল স্রেফ তালগোল পাকানো। ৪ ওভারে মোস্তাফিজ ও শরিফুল মিলে দিয়েছেন ৫৩ রান।

বোলিংয়ের শুরুতেই তাসকিন পল স্টারলিংয়ের ব্যাটে দুই বাউন্ডারি হজম করেন। ডানহাতি ওপেনার শুরু থেকেই ছিলেন মারমুখী। চতুর্থ ওভারে নাসুম আহমেদকে পরপর তিন বলে তিন বাউন্ডারি হাঁকান। তবে বিপদজনক ব্যাটসম্যানকে ফেরান বাঁহাতি স্পিনারই। নাসুমের বল মিস করে বোল্ড হন ২২ রান করা স্টারলিং।

পঞ্চম ওভারে বোলিংয়ে এসে ছক্কা হজম করেন মোস্তাফিজ। অ্যান্ড্রু বালবিরনি তার বলে ছক্কা হাঁকান। তাসকিন প্রথম দুই ওভারে ১৩ রান দিয়ে উইকেটশূন্য ছিলেন। দ্বিতীয় স্পেলে অষ্টম ওভারে এসে উইকেটের দেখা পান। আইরিশ অধিনায়ক বালবিরনিকে বোল্ড করেন দ্রুতগতির বোলার। এক ওভার পর তার শিকার জর্জ ডকরেল।

১০ ওভারে আয়ারল্যান্ডের রান ছিল ৩ উইকেটে ৮০। শেষ ১০ ওভারে তারা পায় ৯৭ রান। সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলে একপ্রান্ত আগলে রান করে যাচ্ছিলেন গ্যারেথ ডিলানি। শুরু থেকেই ডানহাতি ব্যাটসম্যান ছিলেন মারমুখী। ৩১ বলে পেয়ে যান ফিফটি। এরপর ঝড় তোলা শুরু করেন ২২ গজে। দুই বাঁহাতি পেসার শরিফুল ও মোস্তাফিজ ৩টি ছক্কা হজম করেন। এছাড়া নাসুম ও সৌম্যর বলে একটি করে ছক্কা মারেন ডিলানি।

চতুর্থ উইকেটে হেনরি টেক্টরকে নিয়ে ডিলানির জুটি ছিল ৯৯ রানের। জুটিতে মাত্র ২৩ রান করে অবদান রাখেন টেক্টর।

আইপিএল শেষে দলে ফেরা মোস্তাফিজের বোলিং একটুও ভালো হয়নি। ওভারপ্রতি ১০ রান করে ৪ ওভারে দিয়েছেন ৪০ রান। শরিফুল সমান ওভারে দিয়েছেন ৪১ রান। তাসকিন ২৬ রানে ২ উইকেট নিয়ে বাংলাদেশের সেরা।


মতামত জানান :

 
 
 
কপিরাইট © ময়মনসিংহ প্রতিদিন ডটকম - সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত | উন্নয়নে হোস্টপিও.কম