সংবাদ শিরোনাম

 

আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি বলেছেন, যারা প্রতিদিন কারফিউ দিয়ে দেশ পরিচালনা করেছে, তারা আজ গণতন্ত্রের কথা বলে। আওয়ামী লীগে অনেক অনুপ্রবেশকারী ঢুকে গেছে। এই অনুপ্রবেশকারীদের ঠেকাতে হবে। তারা দলের মধ্যে ঢুকে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করছে, সেই অপশক্তিকে রুখে দিতে হবে। সনাতন ধর্মাবলম্বীদের ঘর-বাড়ি পুড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে, সেই অপশক্তিকে প্রতিহত করতে হবে। তাদেরকে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না।

তিনি বলেন, আমরা যারা নিজেকে মানুষ বলে দাবি করি, আমাদের সবাইকে একসাথে সেই অপশক্তির বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে হবে। পুলিশতো একা কিছু করতে পারবে না। এক প্রতিবেশী অপর প্রতিবেশীর দায়িত্ব নিতে হবে।

মঙ্গলবার দুপুরে চাঁদপুর সদর উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে সম্প্রীতি সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

দীপু মনি বলেন, ৭১ এবং ৭৫ এর ঘাতকেরা আবারও দেশে অস্থিতিশীল পরিবেশ তৈরি করার অপচেষ্টায় লিপ্ত হচ্ছে। হিন্দু সম্প্রদায়ের দুর্গাপূজাকে নিয়ে ঘৃণ্য ষড়যন্ত্রে মেতে উঠেছে। শুধু তাই নয়, আগামী ২০২৩ সালের জাতীয় নির্বাচন নস্যাৎ করতে এবং ধর্মীয় সম্প্রীতি নষ্ট করতে এমন অপচেষ্টায় লিপ্ত হয়েছে।

তিনি বলেন, জননেত্রী শেখ হাসিনার মাধ্যমে আজকে বিশ্বের বুকে মাথা তুলে দাঁড়িয়েছে। তখনই ৭১-৭৫ এর ঘাতক, দালালরা আমাদের এই অগ্রযাত্রাকে থামিয়ে দিতে চায়। তারা সরকারের অগ্রযাত্রাকে ক্ষুণ্ন করতে চায়। ৭১-৭৫ এর অপশক্তিরা এখনো তৎপর। যে তত্ত্বাবধায়ক সরকার মৃত, এখন সেই তত্ত্বাবধায়ক সরকার চায় তারা।

অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসক অঞ্জনা খান মজলিশের সভাপতিত্বে ও সাংবাদিক এম আর ইসলাম বাবুর পরিচালনায় বক্তব্য রাখেন পুলিশ সুপার মিলন মাহমুদ, জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি নাছির উদ্দিন আহমেদ, সাধারণ সম্পাদক আবু নঈম পাটওয়ারী দুলাল, জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ওচমান গনি পাটওয়ারী, সাবেক মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার এম এ ওয়াদুদ, জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি ডা. জেআর ওয়াদুদ টিপু, জেলা হিন্দু বৌদ্ধ ঐক্য পরিষদের সাধারণ সম্পাদক রনজিত রায় চৌধুরী প্রমুখ।

সমাবেশে চাঁদপুরের বিভিন্ন উপজেলা থেকে আসা জনপ্রতিনিধি, ধর্মীয় নেতা, প্রশাসন ও পুলিশ বিভাগের কর্মকর্তা এবং রাজনৈতিক দলের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।


মতামত জানান :

 
 
 
কপিরাইট © ময়মনসিংহ প্রতিদিন ডটকম - সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত | উন্নয়নে হোস্টপিও.কম