সংবাদ শিরোনাম

 

চড়তি বাজারের মধ্যেই আরেকধাপ বেড়েছে খোলা সয়াবিন তেলের দাম। তার সঙ্গে বেড়েছে আটা, চিনি, আলুর দামও। স্বস্তি নেই সবজির দামেও। নিয়মিত নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বাড়ায় বিপাকে পড়েছেন নিম্ন ও মধ্যবিত্তরা। স্বস্তিতে নেই বিক্রেতারাও, পণ্যের চড়া দামের কারণে ক্রেতাদের প্রশ্নবাণে জর্জরিত হচ্ছেন তারা।

শনিবার (২৩ অক্টোবর) বিকেলে ময়মনসিংহের শম্ভুগঞ্জ বাজারে ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেলো।

শম্ভুগঞ্জ মধ্যবাজারের রাজলক্ষ্মী স্টোরের বিক্রেতা ভোলানাথা দাস বলেন, প্রতি সপ্তাহেই বাড়ছে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম। খোলা সয়াবিন গত সপ্তাহে ১৫০ টাকা বিক্রি করলেও এই সপ্তাহে তা বিক্রি করছি ১৬০ টাকায়। এদিকে, কোয়ালিটি ও পামওয়েল তো এখন খোলা সয়াবিন তেলের দামের প্রায় সমান। কোয়ালিটি ১৫০ টাকা, পামওয়েল ১৪৫ টাকা কেজি।

তিনি বলেন, এবারই প্রথম চিনি ৮৫ টাকা কেজি বিক্রি করছি। এছাড়া আটা কেজিতে পাঁচ টাকা বেড়ে খোলাটা বিক্রি করছি ৩৫ টাকায় আর প্যাকেট আটা ৪০ টাকা কেজিতে বিক্রি করছি।

ভোলানাথা দাস আরও বলেন, দেশি মসুর ডাল ১২০ টাকা, ইন্ডিয়ান মসুর ডাল ৯০ টাকা, বুটের ডাল ৯০ টাকা, অ্যাংকর ৪৫ টাকা, খেসারি ৭০ টাকা, মুগডাল ১৪০ টাকা, মাসকলাই ১০০ টাকা, ভাঙা মাসকলাই ১৩০ টাকা কেজি বিক্রি করছি।

ওই বাজারের খোকন মিয়া বলেন, সপ্তাহের ব্যবধানে কেজিতে পাঁচ টাকা বেড়ে দেশি আলু বিক্রি করছি ৩০ টাকায়। আর দেশি পেঁয়াজ ৫৫ টাকা, ইন্ডিয়ান পেঁয়াজ ৫০ টাকা, দেশি রসুন ৭০ টাকা, ইন্ডিয়ান রসুন ১২০ টাকা, আদা ১০০ থেকে ১১০ টাকা, বড় আলু ২০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে।

এদিকে, নিত্যপ্রয়োজনীয় অন্য জিনিসের মতো সবজির বাজারও বেশ চড়া। শম্ভুগঞ্জ বাজারের সবজি বিক্রেতা ওয়াহেদ আলী বলেন, সিম ১২০ টাকা, করলা ৮০ টাকা, পটল ৩৫ টাকা, বেগুন ৫০ টাকা, শসা ৩০ টাকা, টমেটো ১৪০ টাকা, পেঁপে ১৫ টাকা, ছোট ফুলকপি ৮০ টাকা কেজি, পাতাকপি ৪০ টাকা পিস, লেবু ১৫ টাকা হালি, চিচিঙ্গা ৫০ টাকা কেজি, ঝিঙা ৫০ টাকা, বরবটি ৬৫ টাকা, ঢেঁড়স ৫০ টাকা কেজি, কাঁচা কলা ২০ টাকা হালি, মিষ্টি কুমড়া ৩০ টাকা কেজি, ছোট লাউ ৪০ থেকে ৪৫ টাকা পিস বিক্রি হচ্ছে।

শম্ভুগঞ্জ বাজারের মাংস বিক্রেতা সুলতান মিয়া বলেন, মাংসের দাম বাড়ায় বিক্রি কমে গেছে। খাসির মাংস ৭৫০ থেকে ৭৮০ টাকা কেজি বিক্রি হতো। কিন্তু, এখন ৮১০ থেকে ৮২০ টাকার নিচে বিক্রি করা সম্ভব হয় না। গরুর মাংস ৫৮০ টাকা থেকে ৬০০ টাকা বিক্রি হচ্ছে। এদিকে, ব্রয়লার মুরগি ১৮০ টাকা, পাকিস্তানি ৩২০ টাকা, লেয়ার ২৮০ টাকা, সাদা কক ৩০০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে।

মাছ বিক্রেতা পারভেজ মিয়া বলেন, পাঙ্গাশ মাছ ১২০ টাকা, রুই ২৪০ টাকা, বড় সিলভার ২২০ টাকা, গ্রাস কার্প ১৬০ টাকা, শিং ৩০০ টাকা, কাচকি ৩০০ টাকা, কই ১৮০ টাকা, রাজপুঁটি ৩২০ টাকা, চিংড়ি ৭০০ টাকা, ছোট মৃগেল ২০০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে।

এদিকে, হাঁসের ডিমের হালি ৫০ টাকা, দেশি মুরগি ৫৫ টাকা, ফার্মের মুরগির ডিম ৩৫ টাকা হালি দরে বিক্রি হচ্ছে।


মতামত জানান :

 
 
 
কপিরাইট © ময়মনসিংহ প্রতিদিন ডটকম - সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত | উন্নয়নে হোস্টপিও.কম