সংবাদ শিরোনাম

 

নিজস্ব প্রতিবেদক : দ্বিতীয় সাপ্তাহিক ছুটির দিন হওয়ায় শনিবার ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলায় মানুষের ঢল নেমেছে। সকাল থেকেই রাজধানীর সব পথ যেন মিশে গেছে শেরেবাংলা নগরে। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ভিড়ও বাড়তে থাকে। পরিবার পরিজন নিয়ে সবাই আসতে থাকে মেলায়। বিকেলে পুরো মেলা প্রাঙ্গণই যেন পরিণত হয় বিনোদন কেন্দ্রে। কেনা কাটার আনন্দের সঙ্গে নতুন নতুন জিনিশ দেখা এবং শিশুদের শিশুপার্কে ও খোলা জায়গায় লাফালাফি ও আনন্দ করতে দেখা গেছে।

সরেজমিনে দেখা যায়, টিকেট কাউন্টারগুলোতে দীর্ঘক্ষণ লাইনে দাঁড়িয়ে অনেকে মেলায় প্রবেশ করছেন।

উত্তরা থেকে মেলায় আসা অনলাইন ব্যবসার উদ্যোক্তা নুরী আখতার দ্য রিপোর্টকে জানায়, দূরে হওয়ায় সকাল সকাল পরিবার নিয়ে মেলায় এসেছি। আজ সারাদিন স্বামী ও সন্তানদের নিয়ে ঘুরব। এখানেই দুপুরের খাবার থেকে শুরু করে বিশ্রামের জন্য বেডসিটও সঙ্গে নিয়ে এসেছি। মেলায় ঢুকতে খুব বেশি বেগ পেতে হয়নি। কারণ সকালে ভিড় কম ছিল। আমি সংসারের জন্য হাড়ি-পাতিল ও কিছু বাসনকোসন কিনব। এগুলো প্রতিবছরই কিনে থাকি। মূলত বিনোদন করতেই এখানে আসা।

মিরপুরের কালসি থেকে আসা সরকারি কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ আল শাহিন জানান, ছুটির দিন হওয়ায় স্ত্রীকে নিয়ে মেলায় এসেছি। কিছু কেনাকাটার পাশাপাশি আনন্দ করা হবে। দুজনে ঘুরব। আইসক্রিম খাব। তারপর পছন্দমত কিছু পেলে কিনবো। শুধু কেনাকাটার জন্যই যে মেলার আসি তা নয়, এখানে এলে আনন্দ পাই।

মোহাম্মদপুরের তাজমহল রোডের বাসিন্দা, একটি বেসরকারি ডায়াগনস্টিক সেন্টারের কর্মকর্তা ঝুনা বলেন, আমার স্ত্রী ও দুই মেয়েকে নিয়ে মেলায় এসেছি। মূলত ঘুরতে ঘুরতেই যা পছন্দ হবে তাই কেনা হবে। নানা চাপে মেয়েদের নিয়ে বেড়ানো হয় না। তাই কাছাকাছি এরকম একটি সুযোগ কাজে লাগাচ্ছি।

ড্যাফোডিল ইউনিভার্সিটির এমবিএর ছাত্র লিটন জানান, আমরা প্রায়ই বন্ধু-বান্ধবীরা মিলে মেলায় আসি। কেনাকাটার বিষয়টি থাকে গৌন। আড্ডা দেওয়ার জন্যই মূলত মেলায় আসি। এখানো আড্ডা দিতে বেশ ভাল লাগে।

বাবা-মায়ের সঙ্গে মেলায় আসা পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী তামান্না বলেন, আজ বাবার ছুটি হওয়ায় আমরা সবাই মিলে ঘুরতে এসেছি। শিশুপার্কের বিভিন্ন রাইডে উঠছি। অনেক আনন্দ করছি। শনিবার এখানে ভিড় বেশি হলেও ঘুরে বেড়াতে ভালই লাগছে।

অন্যদিকে ক্রেতা-দর্শনার্থীদের আগমনে খুশি গেট ইজারাদারসহ স্টল ও প্যাভেলিয়ন মালিকরা। তারা জানান, দ্বিতীয় ছুটির দিন হওয়ায় শেষ পর্যন্ত শুক্রবারের চেয়ে আরও বেশি জনসমাগম ঘটছে।


মতামত জানান :

 
 
আরও পড়ুন
 
কপিরাইট © ময়মনসিংহ প্রতিদিন ডটকম - সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত | উন্নয়নে হোস্টপিও.কম