সংবাদ শিরোনাম

 

নিজস্ব প্রতিবেদক : গণজাগরণ মঞ্চের কর্মী ব্লগার আহমেদ রাজীব হায়দার হত্যা মামলায় ডেথ রেফারেন্স ও আসামিদের আপিলের ওপর হাইকোর্টে শুনানি শেষ হয়েছে। হাইকোর্টে ২২ দিন শুনানি শেষে সোমবার (০৯ জানুয়ারি) বিচারপতি জাহাঙ্গীর হোসেন ও মো. জাহাঙ্গীর হোসেনের হাইকোর্ট বেঞ্চ মামলাটি রায়ের জন্য অপেক্ষমান রাখেন।

আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল জহিরুল হক জহির। শুনানিতে তাকে সহযোগিতা করেন সহকারি অ্যাটর্নি জেনারেল আতিকুল হক সেলিম ও বিলকিস ফাতেমা। অপরদিকে আসামিদের পক্ষে ছিলেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী আবদুর রেজাক খান, মোশারফ হোসেন কাজল ও মো. আহসান উল্লাহ।

পরে আতিকুল হক সাংবাদিকদের জানান, মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত পাওয়া দুজনের মধ্যে পলাতক আসামি রানা আপিল করেননি। মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত অপর এক আসামি ফয়সাল বিন নাঈম ওরফে দীপসহ সাতজন আপিল করেন। সেসব আপিলের শুনানি শেষে হাইকোর্ট মামলাটি রায়ের জন্য অপেক্ষমান রেখেছেন। এখন যেকোনো দিন রায় ঘোষণা করা হবে।

নিম্ন আদালতের রায়সহ ডেথ রেফারেন্স শুনানির জন্য মামলার নথিপত্র ২০১৬ সালের ১৭ জানুয়ারি হাইকোর্টে আসে। প্রধান বিচারপতি অগ্রাধিকার ভিত্তিতে মামলার পেপারবুক প্রস্তুত করতে সংশ্লিষ্ট শাখাকে নির্দেশ দেন। সে অনুযায়ী নিম্নআদালতের রায়ের ১০ মাসের মাথায় ২০১৬ সালের ৭ নভেম্বর ডেথ রেফারেন্স ও আসামিদের আপিলের ওপর হাইকোর্টে শুনানি শুরু হয়।

এর আগে ২০১৩ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি রাজধানীর পল্লবীতে নিজ বাসার সামনে ব্লগার আহমেদ রাজীব হায়দারকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। এই মামলায় ২০১৫ সালের গত বছরের ৩১ ডিসেম্বর ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-৩ রায় দেন। রায়ে জঙ্গি সংগঠন আনসারুল্লাহ বাংলা টিমের সদস্য রেদোয়ানুল আজাদ রানা ও ফয়সাল বিন নাঈম ওরফে দীপকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়।

আসামি মাকসুর হাসান অনিককে যাবজ্জীবন, এহসান রেজা রুম্মান, নাঈম ইরাদ ও নাফিজ ইমতিয়াজকে ১০ বছর এবং আনসারুল্লা বাংলা টিমের প্রধান মুফতি জসিমুদ্দিন রাহমানীকে পাঁচ বছর ও সাদমান ইয়াছির মাহমুদকে তিন বছরের কারাদণ্ড হয়। জসিমুদ্দিন রাহমানী ছাড়া সাজাপ্রাপ্ত বাকি আসামিরা নর্থসাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র ছিলেন।


মতামত জানান :

 
 
আরও পড়ুন
 
কপিরাইট © ময়মনসিংহ প্রতিদিন ডটকম - সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত | উন্নয়নে হোস্টপিও.কম