সংবাদ শিরোনাম

 

নিজস্ব প্রতিবেদক : সরকারি কলেজের শিক্ষক বদলি ও পদায়নের নীতিমালা জারি করেছে সরকার। নীতিমালা অনুযায়ী, সরকারি কলেজের শিক্ষকরা এখন থেকে নির্ধারিত সময়ে বছরের দু’বার ই-মেইলে বদলির আবেদন করতে পারবেন।

শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে রবিবার (১৫ জানুয়ারি) এ নীতিমালা জারি করা হয়।

প্রভাষক হিসেবে নিয়োগের দুই বছর পার না হলে কেউ ঢাকায় বদলির আবেদন করতে পারবেন না বলে নীতিমালায় উল্লেখ করা হয়েছে।

নীতিমালা অনুযায়ী, প্রভাষকরা ১ থেকে ১৫ জানুয়ারি এবং ১ থেকে ১৫ জুলাই ই-মেইলে বদলির আবেদন করতে পারবেন। সহকারী অধ্যাপকরা মার্চ ও সেপ্টেম্বরে, সহযোগী অধ্যাপকরা মে ও অক্টোবরে এবং অধ্যাপকরা জুন ও ডিসেম্বরে বদলির আবেদন করতে পারবেন। নির্ধারিত মাসের ১ থেকে ১৫ তারিখের মধ্যে এই আবেদন করতে হবে।

নির্ধারিত মাসেই সব বদলির আবেদন নিষ্পত্তি করবে মন্ত্রণালয়। এজন্য বাছাই কমিটি ও সুপারিশ কমিটি করা হবে। বাছাই কমিটি আবেদনগুলো যাচাই-বাছাই করে সুপারিশ কমিটির কাছে জমা দেবে। সুপারিশ কমিটির প্রস্তাব যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমোদনের পর বদলি বা পদায়নের আদেশ জারি হবে বলে নীতিমালায় উল্লেখ করা হয়েছে।

নীতিমালায় আরও বলা হয়েছে, উপজেলা পর্যায়ের কলেজগুলোর শূন্য পদে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে পদায়ন করা হবে। সরকার জনস্বার্থে যে কোনো কর্মকর্তাকে যেকোনো স্থানে বদলি করতে পারবে।

স্বামী ও স্ত্রী উভয়ই চাকরিজীবী হলে স্বামী বা স্ত্রীর নিকটতম কর্মস্থলে বদলি বা পদায়নের জন্য আবেদন করা যাবে। যেহেতু এ ধরনের কর্মকর্তার সংখ্যা অনেক, তাই বিষয়টি অধিকার হিসেবে গণ্য করা যাবে না। এক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট শিক্ষকের সুবিধা ও জনগণের সেবাপ্রাপ্তির বিষয় একসঙ্গে বিবেচনায় নিয়ে যৌক্তিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে নীতিমালায় উল্লেখ করা হয়েছে।

নীতিমালায় অবসর প্রস্তুতিমূলক ছুটিতে যাওয়ার এক বছর আগে কোনো শিক্ষক-কর্মকর্তা তার সুবিধামতো স্থানে বদলির জন্য আবেদন করলে পদ শূন্য থাকা সাপেক্ষে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে ওই আবেদন বিবেচনার কথা নীতিমালায় বলা হয়েছে।

সরকারি কলেজের শিক্ষকদের (বিসিএস সাধারণ শিক্ষা ক্যাডার) পাবলিক সার্ভিস কমিশন নিয়োগ দিয়ে থাকে।


মতামত জানান :

 
 
আরও পড়ুন
 
কপিরাইট © ময়মনসিংহ প্রতিদিন ডটকম - সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত | উন্নয়নে হোস্টপিও.কম