সংবাদ শিরোনাম

 

ক্রীড়া প্রতিবেদক : ভাষা শুনে শ্লেষ মাখা প্রশ্ন মনে হতে পারে। কিন্তু আসলে ভদ্রলোক শেষ টেস্টের আগে ভারপ্রাপ্ত অধিনায়ক তামিম ইকবালের কাছে খুব কায়দা করে বাংলাদেশ শিবিরের নাড়ির খবর জানতে চাইলেন। শেষ টেস্টের অধিনায়ক তামিম ইকবালের কাছে সে কিউই সাংবাদিকদের প্রশ্ন, ‘আচ্ছা পুরো সিরিজে একটি ম্যাচও জিততে পারেননি। নিশ্চয়ই হতাশ। এ হতাশা আপনাকে কতটা পোরাচ্ছে? শেষ টেস্টে নেতৃত্ব দেবার আগে আপনি কি হতাশ?

বাঘা বাঘা ফাস্ট বোলারের শর্ট অফ লেন্থের ডেলিভারি, ইয়র্কার আর অফস্টাস্পের আশপাশে পড়ে আরও বেড়িয়ে যাওয়া ডেলিভারি যাকে সহজে টলাতে পারে না, সেই তামিম কি আর ঐ প্রশ্নবাণে বিদ্ধ হবেন? তামিমকে যারা চেনেন, জানেন, তারা বলবেন না। কিছুতেই না। তামিম সহজে ভেঙে পরার পাত্র নন। তামিমের মূল কথা হলো, খালি চোখে সব ম্যাচ হারতে দেখলেও ম্যাচের চালচিত্র মন দিয়ে খেয়াল করলে পরিষ্কার ফুটে উঠবে পারফরমেন্স তত খারা হয়নি। বরং বেশ কিছু খেলার কিছু কিছু সময় পারফরমেন্স বেশ ভাল ছিল। সুযোগ ও সম্ভাবনাও তৈরি হয়েছে ।

তাই তো কণ্ঠে এমন জবাব। ‘হ্যা ফলাফলের দিকে তাকালে হয়তো মনে হবে আমরা সব ম্যাচ হেরেছি। পারিনি একবারের জন্যও। কিন্তু একটু মন দিয়ে খেয়াল করলেই দেখবেন আমরা মোটেই খারাপ খেলিনি। এই ক্রাইস্টচার্চের হ্যাগলি ওভালে প্রথম ওয়োনডে থেকে শুরু করে পুরো ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি সিরিজ এবং সবশেষে প্রথম টেস্ট, আমরা হয়তো এর কোনটাই জিতিনি। কিন্তু প্রায় সব ম্যাচের কোন না কোন সময় বেশ ভালো ক্রিকেট খেলেছি। প্রতিদ্বন্দ্বিতা গড়ে তুলেছি। কখনো কিউদের চেয়ে এগিয়েও ছিলাম। জয়ের সুযোগ ও সম্ভাবনাও তৈরি করেছি। হয়ত ফলটা আমাদের পক্ষে আসেনি এই যা। বলতে পারেন, জয় ছাড়া অনেক কিছুই করে দেখিয়েছি। আমার মনে হয় ৬/৭ বছর পর নিউজিল্যান্ডের অনভ্যস্ত ও প্রতিককূল কন্ডিশনে এসে যতটা ভালো খেলা যায় আমরা চেষ্টা করেছি। আমাদের টিম পারফরমেন্সে আমি সত্যিই খুশি। গর্বিতও।

হ্যা এটা সত্য, আমাদের মাঠে হয়ত কিছ ভুল ত্রুটি হয়েছে। কিন্তু ভালো খেলার ইচ্ছেতে কোনই কমতি ছিল না।  মানসিকতাও ছিল বেশ ইতিবাচক। মোদ্দা কথা আমার মনে হয় হতাশায় আচ্ছন্ন হবার মত কিছু আছে। বরং শেষ টেস্টে মাঠে নামার আগে আমাদের সঙ্গে কিছু ইতিবাচক বিষয়ও আছে। যা ভাল খেলার রসদ হিসেবেই কাজ করবে।


মতামত জানান :

 
 
আরও পড়ুন
 
কপিরাইট © ময়মনসিংহ প্রতিদিন ডটকম - সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত | উন্নয়নে হোস্টপিও.কম