সংবাদ শিরোনাম

 

নিজস্ব প্রতিবেদক : বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া বলেছেন, সরকার দলীয় ইচ্ছায় সার্চ কমিটি গঠন করা হলে জনগণ মানবে না। দেশে-বিদেশে তা গ্রহণযোগ্য হবে না।

গুলশানে নিজ রাজনৈতিক কার্যালয়ে এক মতবিনিময় অনুষ্ঠানে শনিবার (২১ জানুয়ারি) রাতে তিনি এসব কথা বলেন।

খালেদা জিয়া বলেন, ‘রাষ্ট্রপতি কোনো দলের নয়, তিনি সকলের। তিনি রাষ্ট্রের অভিভাবক। আশাকরি তিনি সকল রাজনৈতিক দলের সঙ্গে আলাপ-আলোচনা করে গ্রহণযোগ্য ও নিরপেক্ষ সার্চ কমিটি গঠন করবেন। যাতে এই কমিটি যাতে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন কমিটি কমিশন গঠন করতে পারে।’

খালেদা জিয়া বলেন, ‘আমরা জনগণের ভোটের অধিকার ফিরিয়ে আনতে চাই। গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনাই বিএনপির লক্ষ্য। নিরদলীয় নিরপেক্ষ সরকার ছাড়া ষুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব নয়।’

তিনি বলেন, ‘আওয়ামী লীগ মানেই গণতন্ত্র হত্যা কারী, আওয়ামী লীগ মানেই গুম-খুন, লুটপাট। এরা ব্যাংক গুলোকে ফোকলা করে দিয়েছে।আওয়ামী লীগের দেশের জন্য কোনো মায়া নাই। শেখ হাসিনারও মায়া নাই। দেশের টাকা লুট করে বিদেশে পাচার করছে। আওয়ামী লীগের অধীনে দেশের মানুষ ভাল থাকতে পারে না। কারো জীবনের নিরাপত্তা নেই। দুর্নীতি চরম আকার ধারণ করছে। ফলে কোনো প্রতিষ্ঠান কাজ করতে পারছে না।’

বিএনপি চেয়ারমপারসন বলেন, ‘ আওয়ামী লীগ মঈনউদ্দিন-ফকরুদ্দিনের সাখে হাত মিলিয়ে ক্ষমতায় এসেছে। তারপরে সংবিধান পরিবর্তন করে নির্বাচনের নামে জনগণের সাথে প্রতারণা করে ক্ষমতা দখল করে আছে।স্বৈরাচারী এরশাদ ও আওয়ামী লীগ এক হয়ে গণতন্ত্র হত্যা করছে। শেখ হাসিনা এরশাদের মামলা বন্ধ করে আমার সহ বিএনপির নেতাকর্মীদের নামে মিথ্যা মামলা চালাচ্ছে।’

দলের নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্য করে খালেদা জিয়া বলেন,‘হতাশ হওয়ার কিছু নাই। গণতন্ত্র ফিরে আসবে। জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠিত হবে। এর জন্য আপনাদের সকলকে কষ্ট করতে হবে। আমরা যার যার অবস্থান থেকে এস্বৈরাচার সরকারের বিরুদ্ধে কথা বলি, আওয়াজ তুলি ।’

এ সময়ে উপস্থিত ছিলেন, বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, মির্জা আব্বাস, আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, মহিলা দলের সভাপতি আফরোজা আব্বাস, সাধারণ সম্পাদক সুলতানা আহমেদ।

মত বিনিময় সভায় বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও জিয়া পরিষদের চেয়ারম্যান কবির মুরাদ, ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব প্রফেসরড. এমতাজ হোসেন, অধ্যাপক সলিমুল্লাহ, অধ্যাপক আবদুল কুদ্দুস, অধ্যাপক মুহাম্মদ শফিকুল ইসলাম, অধ্যাপক ওবায়দুল ইসলাম, দেওয়ান মাহফুজুর রহমান ফরহাদ, আবদুল্লাহিল মাসুদ, আবুল কালাম আজাদ প্রমুখ।

প্রসঙ্গত, আগামী ফ্রেব্রুয়ারিতে বর্তমান নির্বাচন কমিশনের (ইসি) মেয়াদ শেষ হচ্ছে। নতুন ইসি গঠনে ইতোমধ্যে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ আওয়ামী লীগ ও বিএনপিসহ দেশের রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে সংলাপ করছেন।


মতামত জানান :

 
 
আরও পড়ুন
 
কপিরাইট © ময়মনসিংহ প্রতিদিন ডটকম - সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত | উন্নয়নে হোস্টপিও.কম