সংবাদ শিরোনাম

 

নিজস্ব প্রতিবেদক, টাঙ্গাইল : টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে যমুনা নদী থেকে মাজেদা (২৩) নামক এক গার্মেন্টসকর্মীর লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

সোমবার দুপুরে উপজেলার জগতপুরা গ্রামের পশ্চিম পাশে যমুনা নদী থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়। মাজেদা উপজেলার জগতপুরা গ্রামের মারফত খানের মেয়ে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ৪ বছর আগে টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার শাখারিয়া গ্রামের আব্দুল ওহাব খানের ছেলে দলিল লেখক ইয়ামিন খান মাজেদাকে চাকরি দেওয়ার প্রলোভনে পরকীয়া সম্পর্ক গড়ে তোলে। একপর্যায়ে গোপনে বিয়ে করেন তারা।

বিষয়টি জানাজানি হলে দুই সন্তানের জনক ইয়ামিনের পরিবারে সৃষ্টি হয় নানা কলহের। বাধ্য হয়ে মাজেদা চাকরির আশা ও সংসার ছেড়ে ঢাকায় পোশাক কারখানায় চাকরি নেন।

পরে গত ২১ জানুয়ারি ইয়ামিন ফোন করে মাজেদাকে বাড়ি নিয়ে আসেন। মাজেদা তার স্বামীর বাড়ি গেলে ঝগড়ার বেধে যায়। একপর্যায়ে ২২ জানুয়ারি ইয়ামিন মাজেদাকে মারধর করলে তার বাবার বাড়ি চলে আসেন। ওই দিন সন্ধ্যায় ইয়ামিন পুনরায় মাজেদাকে নিয়ে যান। তারপর থেকে মাজেদার কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি। সোমবার দুপুরের দিকে উপজেলার জগতপুরা গ্রামের পশ্চিম পাশে যমুনা নদী তীরে মাজেদার লাশ দেখে পুলিশকে সংবাদ দেন এলাকাবাসী। পরে ভূঞাপুর থানা পুলিশ মাজেদার লাশ উদ্ধার করে।

মাজেদার মা হনুফা বেগম জানান, আমার মেয়েকে চাকরির আশা দিয়ে খুন করা হয়েছে। আমার মেয়ের খুনের বিচার চাই।

ভূঞাপুর থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এ কে এম কাওছার চৌধুরী জানান, ময়নাতদন্ত শেষে আসল ঘটনা জানা যাবে। তবে লাশের গলায় কালো দাগ রয়েছে। লাশ ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।


মতামত জানান :

 
 
আরও পড়ুন
 
কপিরাইট © ময়মনসিংহ প্রতিদিন ডটকম - সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত | উন্নয়নে হোস্টপিও.কম