সংবাদ শিরোনাম

 

নিজস্ব প্রতিবেদক : গ্রামীণ ব্যাংকের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক ড. মুহম্মদ ইউনুস গ্রামীণ ব্যাংকের নামে তার বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান থেকে অবৈধভাবে কর সুবিধা নিয়েছেন বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত। তিনি বলেন, এ বিষয়ে তদন্ত চলছে। গ্রামীণ ফোনের লাভের টাকা গ্রামীণ ব্যাংককে না দিয়ে ইউনুস অন্যায় করেছেন জানিয়ে এই টাকা উদ্ধার করা কঠিন বলেও মন্তব্য করেন অর্থমন্ত্রী।

বৃহস্পতিবার সকালে অর্থ মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব সফটওয়্যার অ্যান্ড ইনফরমেশন সার্ভিসেস (বেসিস)-এর নেতাদের সঙ্গে সভা শেষে গণমাধ্যমকর্মীদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন অর্থমন্ত্রী।

বুধবার জাতীয় সংসদে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘তিনি (ইউনুস) গ্রামীণ ফোনের শেয়ার বিক্রি করে অধিকাংশ নিজের সম্পত্তি করে নিয়েছেন। আবার উনি নিজেও ট্যাক্স দেন না। তার ফিক্সড ডিপোজিটে প্রচুর টাকা আছে। মামলা করে দিয়েছেন তাই ট্যাক্স দিতে হয় না। এখন সেই টাকা তুলে তুলে খাচ্ছেন। তার এই টাকা কোথা থেকে এসেছে সেই হিসেবও তিনি দিতে পারেননি।’

এ বিষয়ে অর্থমন্ত্রীর কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘তিনি যা করেছেন সেটা বেআইনি। এটা নিয়ে তদন্ত চলছে।’

সংসদে প্রধানমন্ত্রী এও জানান, ‘গ্রামীণ ফোনের যখন অনুমতি দেওয়া হয়, তখন শর্ত ছিলো লভ্যাংশের ৩০ ভাগ গ্রামীণ ব্যাংককে দেওয়া হবে। সেই টাকায় সাধারণ মানুষের কল্যাণ হবে। কিন্তু তিনি (ইউনুস) গ্রামীণ ব্যাংকে কোন টাকাই রাখেন নাই। বরং ৩৫ শতাংশ শেয়ার নিজের নামে রেখে বাকিটা বিক্রি করে দেন।’

ড. ইউনুসের কাছ থেকে এই টাকা উদ্ধারে সরকার কোনো উদ্যোগ নেবে কি না-জানতে চাইলে অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘ইস্টস ডিফিকাল্ট। উনি যে টাকাটা দেননি, সেটা অবশ্যই অনৈতিক কাজ করেছেন। তবে এই টাকাটা উদ্ধার করা ডিফিকাল্ট। গ্রামীণের যতো প্রতিষ্ঠান আছে সব প্রতিষ্ঠানের অনুকূলে ড. মুহাম্মদ ইউনূস যে কর সুবিধা নিয়েছেন তা অবৈধ। বিষয়গুলো তদন্তাধীন।’

এ সময় বেসিসের নেতারা অর্থমন্ত্রীর সঙ্গে আইটি খাতে রপ্তানির সম্ভাব্যতা বিষয়ে মতবিনিময় করেন। তারা অর্থমন্ত্রীর কাছে সফটওয়্যার রপ্তানির জন্য ক্যাশ ইনসেনটিভের (নগদ সহায়তা) সুবিধা চেয়েছেন। তারা জানান এই খাতে নগদ সহায়তা পেলে রপ্তানি বাণিজ্যে আরও সফলতা আসবে।

সভায় উপস্থিত ছিলেন অর্থ মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মাহবুব আহমেদ, জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের চেয়ারম্যান ও অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগের সিনিয়র সচিব নজিবুর রহমান, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক। বেসিসের পক্ষে সভায় উপস্থিত ছিলেন বর্তমান সভাপতি মোস্তফা জব্বার, সাবেক সভাপতি শামীম আহসান প্রমুখ।


মতামত জানান :

 
 
আরও পড়ুন
 
কপিরাইট © ময়মনসিংহ প্রতিদিন ডটকম - সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত | উন্নয়নে হোস্টপিও.কম