সংবাদ শিরোনাম

 

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : সিরিয়াসহ সাতটি মুসলিম দেশের নাগরিকদের প্রবেশের ক্ষেত্রে সাময়িক নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে যুক্তরাষ্ট্র। এসবদেশের নাগরিক আগামী তিন মাস সে দেশটিতে প্রবেশ করতে পারবেন না। অপরদিকে আগামী চার মাসের জন্য দেশটিতে শরণার্থী প্রবেশের ক্ষেত্রেও স্থগিতাদেশ আরোপ করা হয়েছে।

শুক্রবার পেন্টাগনে প্রতিরক্ষামন্ত্রী জেন জেমস ম্যাটিসের শপথ অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণের পর তিনি এ নির্বাহী আদেশে সই করেন। এর কয়েক ঘণ্টা পরে নির্বাহী আদেশটি প্রকাশিত হয়।

সিরিয়াসহ নিষেধাজ্ঞার আওতায় পড়া অন্য মুসলিম দেশগুলো হলো ইরান, ইরাক, লিবিয়া, সোমালিয়া, সুদান ও ইয়েমেন।

মার্কিন প্রেসিডেন্টের দাবি, এ ধরনের পদক্ষেপ মার্কিন নাগরিকদেরকে সন্ত্রাসী হামলা থেকে সুরক্ষা দেবে।

ট্রাম্পের আদেশে বলা হয়েছে, পরবর্তী চার মাস যুক্তরাষ্ট্রে শরণার্থী নেওয়া বন্ধ থাকবে, বড় কোনো পরিবর্তন না ঘটা পর্যন্ত সিরীয় শরণার্থীদের ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা বলবৎ থাকবে; ইরাক, সিরিয়া, ইরান, সোমালিয়া, সুদান ও ইয়েমেন থেকে আগামী ৯০ দিন কেউ যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের অনুমতি পাবে না এবং ভবিষ্যতে শরণার্থীদের আবেদন বিবেচনার ক্ষেত্রে ধর্মীয় পরিচয় গুরুত্ব দেওয়া হবে, যদি আবেদনকারী নিজের দেশে ধর্মীয় সংখ্যালঘু হয়ে থাকেন। এ ছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের মতের সম্পূর্ণ বিপরীত মত ধারণ করে, এমন দেশের নাগরিকদের ভিসা দেওয়ার কর্মসূচি পুনর্মূল্যায়ন করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে ট্রাম্পের আদেশে।

এদিকে শুক্রবার এক টিভি সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, ভবিষ্যতে সিরীয়দের মধ্যে খ্রিস্টানদের শরণার্থী হিসেবে আশ্রয় দেওয়ার কথা তার সরকার বিবেচনা করে দেখবে।
এর আগে ট্রাম্প পেন্টাগনে দাবি করেন, যুক্তরাষ্ট্রকে জঙ্গিবাদের কবল থেকে রক্ষা করতে তিনি নতুন কিছু পদক্ষেপ নিতে যাচ্ছেন। তিনি তখন বলেন, ‘আমাদের দেশে কেবল আমরা তাদেরকেই গ্রহণ করতে চাই যারা আমাদের দেশকে সমর্থন করবে এবং গভীরভাবে আমাদের লোকজনকে ভালোবাসবে।’

নির্বাচনী প্রতিশ্রুতিতে ট্রাম্প মুসলিম ও শরণার্থীদের যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশাধিকার সাময়িক সময়ের জন্য নিষিদ্ধ করার কথা বলেছিলেন। এবার সেই বিতর্কিত প্রতিশ্রুতিই বাস্তবায়িত করলেন ট্রাম্প।

সূত্র: গার্ডিয়ান, বিবিসি, রয়টার্স


মতামত জানান :

 
 
আরও পড়ুন
 
কপিরাইট © ময়মনসিংহ প্রতিদিন ডটকম - সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত | উন্নয়নে হোস্টপিও.কম