সংবাদ শিরোনাম

 

নিজস্ব প্রতিবেদক : বিদায়ের সুর বাজছে ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলার। নতুন করে সময় না বাড়ালে আগামী মঙ্গলবার এবারের মেলার পর্দা নামবে। সে হিসেবে আজ শনিবার বাণিজ্য মেলার শেষ ছুটির দিন। শেষ ছুটির দিনে দর্শনার্থী ও ক্রেতাদের উপচেপড়া ভিড় রয়েছে মেলায়।

শনিবার সরকারি ছুটির দিন হওয়ায় সকাল থেকেই মেলার পথে ছিল ভিড়। দুপুর ১২টার পর দর্শনার্থীদের ঢল পরিণত হয় রীতিমতো জনসমুদ্রে। বেড়ে যায় প্যাভিলিয়ন ও স্টলের কর্মকর্তাদের কর্মচাঞ্চল্য।

প্রথমদিকের মতো আজও ইলেকট্রনিক্স পণ্য, রান্নার সামগ্রী ও পোশাকের দোকানগুলোতে রয়েছে চোখে পড়ার মতো ভিড়। তবে বিদেশি প্রতিষ্ঠানের স্টলগুলোতে আজ খুব একটা দেখা যাচ্ছে না।

মেলায় পরিবার নিয়ে ঘুরতে আসা আমেনা বেগম বলেন, বাচ্চারা প্রথম থেকেই মেলার আসার আবদার করছে। তাদের আবদার পূরণ করতে এবং বাসার জন্য কিছু সামগ্রী কিনতে মেলায় এসেছি।

তিনি বলেন, বেসরকারি একটি কোম্পানিতে চাকরি করি। বেতন পেয়েছি গত ৫ তারিখে। বেতনের টাকার একটি অংশ মেলার জন্য বরাদ্দ করে রেখেছিলাম। ছোট বাচ্চার খেলনা ও একটি পোশাক কিনেছি। বড় ছেলের জন্য কিনেছি দুটি প্যান্ট। আর বাসার জন্য একটি রাইস কুকার, মাইক্রোওয়েভ ওভেন ও একটি ব্লেন্ডার কিনেছি।

যাত্রাবাড়ী থেকে আসা মো. মাহফুজুর রহমান বলেন, এবার দিয়ে মেলায় চারদিন এলাম। আগের তিন দিন কিছু কিনিনি, শুধু দাম শুনে গেছি। আজ দুটি প্যান্ট ও দুটি টিশার্ট কিনেছি। দাম আগের দিন যা শুনেছি তার থেকে কম নিয়েছে।

মেলায় পাঁচ বন্ধুর সঙ্গে দল বেধে ঘুরতে এসেছিলেন ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজের শিক্ষার্থী মো. আশরাফুল ইসলাম। তিনি বলেন, বন্ধুরা মিলে মেলায় ঘুরতে এসেছি। কোনো কিছু কেনার উদ্দেশ্য নেই। যতক্ষণ ভালো লাগে বিভিন্ন স্টল ঘুরে ঘুরে দেখবো। বন্ধুরা মিলে আড্ডা দেবো, আনন্দো করব।

এদিকে ছুটির টানা দুই দিনের বিক্রিতে বেশ খুশি স্টলের মালিকরাও। তবে মেলার সময় বাড়ানোর যে গুঞ্জন রয়েছে তা নিয়ে খুশি নন স্টলের কর্মীরা। তাদের দাবি মেলার সময় যেন বাড়ানো না হয়।

রান্নার সামগ্রী বিক্রয় প্রতিষ্ঠান কিয়ামের একাধিক কর্মী বলেন, মেলার সময় বাড়লে মালিক পক্ষ লাভবান হবে। আমাদের তো কোনো লাভ হবে না। আমাদের তো বাড়তি কোনো সুবিধা দেয়া হবে না।

বিক্রয় পরিস্থিতি সম্পর্কে জানতে চাইলে একটি স্টলের মালিক আবুল হোসেন বলেন, শুক্রবার বিক্রি বেশ ভালো হয়েছে। আজও সকালের দিকে দর্শনার্থী তেমন ছিল না। তবে ১২টার পর থেকে দর্শনার্থী বাড়ছে। বিক্রিও বাড়ছে। এবারের মেলায় প্রথম থেকেই বিক্রি পরিস্থিতি বেশ ভালো। অন্তত আগের ৩ বছরের চেয়ে অনেক ভালো।

আরেকটি স্টলের প্রতিনিধি কবীরও সন্তোষ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, প্রথম থেকেই আমাদের বিক্রি বেশ ভালো। আর ছুটির দিনগুলোতে তো এক মিনিট বিশ্রাম নেয়ার সুযোগ নেই।


মতামত জানান :

 
 
আরও পড়ুন
 
কপিরাইট © ময়মনসিংহ প্রতিদিন ডটকম - সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত | উন্নয়নে হোস্টপিও.কম