সংবাদ শিরোনাম

 

নিজস্ব প্রতিবেদক : পার্বত্য জেলার অনেক নদী ভরাট হয়ে গেছে জানিয়ে এগুলোকে খননের উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন নৌ পরিবহনমন্ত্রী শাহাজান খান। তিনি বলেন, ‘নদীগুলো খনন করে ব্যবহার উপযোগী করে তোলা হবে। এছাড়া তিন জেলায় ব্যবসা বাণিজ্য প্রসারে তিনটি স্থলবন্দর নির্মাণ করা হবে।’

রবিবার সচিবালয়ে নৌপরিবহন মন্ত্রণালায়ে পার্বত্য চট্টগ্রামের জনপ্রতিনিধি ও বিভিন্ন জনগোষ্ঠীর নেতাদের সঙ্গে বৈঠকে শেষে মন্ত্রী সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন।

প্রাথমিকভাবে যে নয়টি নদী খননের সিদ্ধান্ত হয়েছে, সেগুলো হলো কাচা লং, মাইনি, ইছামতি, কর্ণফুলি, চেংনি, মাতামুহুরি, সাঙ্গু, ফেনী ও হালদা। পাশাপাশি খনন হবে বেশ কিছু শাখা নদীও।

মন্ত্রী বলেন, ‘স্বাধীনতার পরে এই প্রথম কোনো সরকার পার্বত্য জেলা নদী খননের উদ্যোগ নিল। এর ফলে ওই এলাকার মানুষের যেমন কর্মসংস্থান হবে, তেমনি তারা ব্যবসা-বাণিজ্যেও বড় অবদার রাখতে পারবে।’

শাজাহান খান বলেন, ‘প্রথমে ওই জেলাগুলোর নদীর সীমানা নির্ধারণ করা হবে। সীমানা নির্ধারণ করবে জাতীয় নদী রক্ষা কমিশন। এরপর নদীগুলোর খননের কাজ করবে বিআইডব্লিউটিএ।’

দেশের অনেক নদী নাব্যতা হারিয়ে ফেলেছিল উল্লেখ করে মন্ত্রী জানান, ‘এই সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকে নদীগুলোর নাব্যতা ফিরিয়ে আনা ও খননের কাজ গতিশীল করেছে। ২০০৯ সাল থেকে ১৩ সাল পর্যন্ত ১৪টি ড্রেজার কিনেছে সরকার। ২০১৪ থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত আরও ২০ টি ড্রেজার কেনার কাজ চলছে।

বেসরকারিভাবে আর ও ৫০টি ড্রেজার সংগ্রহ করা হয়েছে জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, ‘এসব দিয়ে নদী খননের কাজ চলছে। এখন পর্যন্ত এক হাজার ২০০ কিলোমিটার নৌপথ খনন করা হয়েছে।’

পার্বত্য জেলায় হচ্ছে তিন স্থলবন্দর
খাগড়াছড়ির রামগড়, বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ির ঘুমধুম ও রাঙ্গামাটির বরকলের তেগামুখে এই বন্দর তিনটি নির্মাণ করা হবে। এনিয়ে দেশে মোট স্থলবন্দরের সংখ্যা দাঁড়াবে ২৩টিতে।

নৌমন্ত্রী জানান, এই বন্দর তিনটি হলে পার্বত্য চট্টগ্রামের ব্যবসা বাণিজ্য প্রসার ঘটবে। এছাড়া অনেক অবৈধ মালামাল পরিবহন হয়। বন্দরগুলো হলে অবৈধ ব্যবসা কমে যাবে। তখন বৈধভাবেই মানুষ ব্যবসা করবে।


মতামত জানান :

 
 
আরও পড়ুন
 
কপিরাইট © ময়মনসিংহ প্রতিদিন ডটকম - সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত | উন্নয়নে হোস্টপিও.কম