সংবাদ শিরোনাম

 

কাজী রুমেল, ভৈরব প্রতিনিধি : টেঁটা যুদ্ধ যে গ্রামের ক্যান্সার সে গ্রামটির নাম ভৈরবের ভবানীপুর৷ দুই মাসের ব্যবধানে কয়েক দফা এ ভয়ঙ্কর টেঁটা যুদ্ধ গ্রামটিকে সিরিয়া করে রেখেছে স্থানীয় কিছু গ্রাম্য চা স্টল কেন্দ্রিক অশিক্ষিত দানব, মানুষ গড়নের বন্যপ্রাণী৷ চলনে বলনে বা গড়নে মানুষের মতো দেখতে হলেও এরা আসলে তথা কথিত মানুষ৷ এরা এখনোও আদিম যুগের বাসিন্দা৷ যাদের কাজ হলো ছোট কোন অজুহাতে হলেও শক্তির পরীক্ষা দেয়া৷ আজ আবারও তৃতীয় দফা শক্তির লড়াইয়ে লিপ্ত হলেন ভৈরবের সিরিয়া খ্যাত ভবানীপুর৷
আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুই দল গ্রামবাসীর সংঘর্ষে নারী ও শিশুসহ উভয়পক্ষের কমপক্ষে ৩০ জন আহত হয়েছে। সংঘর্ষ চলাকালে প্রতিপক্ষের হামলায় ৫/৬টি বাড়ি-ঘরে ভাংচুর ও লুটপাট হয়েছে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে পুলিশ।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার পর ঘটনাস্থল থেকে আহতদের উদ্ধার করে বেশ কয়েকজনকে ভৈরব ও কুলিয়ারচর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। এছাড়া ৩ জনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে এবং ৫ জনকে বাজিতপুরের ভাগলপুর জহুরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠিয়েছেন কর্তব্যরত চিকিৎসক।
ওই ঘটনায় আহতদের মধ্যে ঢামেক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ব্যক্তিরা হলেন- শরীফ (১৫), আল আমিন (১৮) ও মামুন (২৫)। আর জহুরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ব্যক্তিরা হলেন- শফিউল্লাহ (২০), আরশ (১৬), শেখ জয় (১৭), সাব্বির (১০) ও হাসেনা (৬৫)।
এলাকাবাসী জানান, আধিপত্য বিস্তার নিয়ে পূর্ব শত্রুতার জের ধরে আজ সকাল ৯টার দিকে ভৈরব উপজেলার শ্রীনগর ইউনিয়নের ভবানীপুর গ্রামের জয়নাল মেম্বার ও হুমায়ুন গ্রুপের কয়েকশ লোক দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে লিপ্ত হয়। উভয় পক্ষের নারী ও শিশু, বৃদ্ধসহ কমপক্ষে ৩০ ব্যক্তি আহত হন।
বেলা ১১টার দিকে ভৈরব থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমানে এলাকায় থমথমে পরিবেশ বিরাজ করছে। পরবর্তী পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করতে এলাকায় পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। তবে ওই ঘটনায় এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার করা হয়নি বলে জানিয়েছেন ভৈরব থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. বদরুল আলম তালুকদার।
গত ১১ নভেম্বর ও ১২ জানুয়ারিতে ওই দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছিল। ওই সময় দেড় শতাধিক মানুষ আহত হয়েছিল। ঘর-বাড়ি ভাংচুরের ঘটনাও ঘটেছিল।


মতামত জানান :

 
 
আরও পড়ুন
 
কপিরাইট © ময়মনসিংহ প্রতিদিন ডটকম - সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত | উন্নয়নে হোস্টপিও.কম