সংবাদ শিরোনাম

 

নিজস্ব প্রতিবেদক : সরকার বাংলাদেশকে ভারতের হাতে তুলে দিয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী আহমেদ। তিনি বলেন, কোথাও ট্রানজিটের নামে করিডোর দিয়ে, কোথাও মালামাল পরিবহনের নামে নৌ ও সমুদ্র বন্দর ব্যবহারের সুযোগ দিয়ে বাংলাদেশকে ভারতের হাতে তুলে দেয়া হয়েছে।

শুক্রবার নয়াপল্টনে দলীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে বিএনপি নেতা এসব কথা বলেন। রিজভী বলেন, ‘বাংলাদেশের বিভিন্ন বাহিনীগুলোর গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানগুলো পরিদর্শন করছেন একটি দেশের কূটনীতিকরা। এটি কীসের আলামত ক্ষমতায় টিকে থাকার জন্য পরনির্ভরশীলতার কারণেই প্রভুদের কাছে রাষ্ট্রীয় গোপনীয়তাকে উম্মুক্ত করে দেয়া হচ্ছে।’

দেশের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে বিদেশি কূটনীতিকের পরিদর্শন কি অজানা চুক্তির বহিঃপ্রকাশ কি না তাও জানতে চান রিজভী। বলেন, ‘বাংলাদেশের স্থল পথ, নৌ পথ এমনকি আকাশ পথকে তারা (ভারতীয়রা) অবাধে ব্যবহার করলেও বিনিময়ে আমরা কিছুই পাচ্ছি না। বাংলাদেশের মানুষের বহু প্রতীক্ষিত তিস্তা চুক্তি না হওয়ায় সেচ মৌসুমে গোটা উত্তরাঞ্চলে পানির জন্য হাহাকার চলছে। বাংলাদেশে এখন রাজনৈতিক, সাংস্কৃতিক ও অর্থনৈতিক আগ্রাসন এখন অন্য যে কোন সময়ের চেয়ে অত্যুগ্র মাত্রায় বৃদ্ধি পেয়েছে।’

রিজভী বলেন, ‘বাংলাদেশের পাট ও পাটপণ্যের ওপর ভারতের অ্যান্টি ডাম্পিং শুল্ক আরোপের ভারতে পাট রপ্তানি বন্ধ হয়ে পড়ছে। এ নিয়ে চরম বিপাকে পড়েছেন রপ্তানিকারকরা। এ ব্যাপারে তাবেদার সরকারের কোন পদক্ষেপ চোখে পড়ছে না। উল্টো তাবেদার সরকার হাজার হাজার কোটি ব্যয় করে সড়ক মহাসড়ক তৈরি করে প্রতিবেশী দেশের পণ্য পরিবহনে সুবিধা করে দিচ্ছে। মংলা ঘসিয়াখালি নৌরুট দিয়ে যাতে ভারত সহজে পণ্য যাতায়াত করতে পারে সে জন্য গত সপ্তাহেও ৭০৬ কোটি টাকা বরাদ্ধ করেছে ভোটারবিহীন এ সরকার।’

বিএনপিকে ধ্বংস করতে সরকার শুরু থেকে জিয়া পরিবারকে টার্গেট করেছে বলেও অভিযোগ করেন রিজভী। বলেন, ‘আদালতের ঘাড়ে বন্দুক রেখে বিচারিক প্রক্রিয়ার নামে জিয়া পরিবারের বিরুদ্ধে অমানবিক আক্রমণ চালানো হচ্ছে। নাজেহাল করতেই বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে প্রতি সপ্তাহে একবার অথবা দুই বার আদালতে উপস্থিত থাকতে বাধ্য করা হচ্ছে।’


মতামত জানান :

 
 
আরও পড়ুন
 
কপিরাইট © ময়মনসিংহ প্রতিদিন ডটকম - সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত | উন্নয়নে হোস্টপিও.কম