সংবাদ শিরোনাম

 

নিজস্ব প্রতিবেদক : শুক্রবার সরকারি-বেসরকারি সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠান বন্ধ। এ সুযোগ কাজে লাগাতে বাণিজ্যমেলায় ঘুরতে এসেছেন দর্শনার্থীরা। পরিবার ও প্রিয়জনদের সঙ্গে নিয়ে মেলায় এসেছেন বিপুল সংখ্যক মানুষ। তাদের পদচারণায় জমজমাট হয়ে উঠেছে বাণিজ্যমেলা।

মেলার সময় ৪দিন বাড়ানোয় বিক্রেতাদের মুখেও দেখা গেল হাসির ছাপ। তারা আনন্দ নিয়ে ব্যবসা করছে। তাছাড়া সব পণ্যের ওপর ২০ থেকে ৬০ শতাংশ পর্যন্ত ছাড় দেয়ায় ক্রেতারাও খুশি।

দুপুরের পরে বাণিজ্যমেলা ঘুরে দেখা যায়, মেলা প্রাঙ্গণের গাড়ি পার্কিংয়ের স্থানে প্রচুর ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। বিকেলে টিকেট কাউন্টারগুলোর সামনে দীর্ঘ লাইনও দেখা গেছে। তবে, টিকেট সংগ্রহে ভোগান্তিতে পড়তে হয়েছে নারী ও মেলায় আসা বাচ্চাদের। তারপরও মেলায় এসে নানা বয়সের মানুষ অনেক আনন্দ উপভোগ করছেন।

প্রথম শ্রেণির একটি ছোট মেয়ে নাবিলা। সে বলে, আমি আব্বু আম্মুর সাথে ছুটির দিনে ঘুরতে এসেছি। আমার অনেক ভালো লাগছে, অনেক আনন্দ লাগছে। এই প্রথম আম্বুর সাথে আসছি। ভেবেছি মেলায় ভিড় কম হয় এখন দেখছি তা নয়।

আজিম সাহেব, বেসরকারি চাকরি করেন। তিনি বাংলানিউজকে বলেন, ছুটির দিনে সুযোগ পেয়েছি, তাই স্ত্রী ও বাচ্চাদের নিয়ে ঘুরতে এসেছি। বিশেষ করে বাচ্চাদের আনন্দ দিতে পেরেছি, এটাই আমার কাছে অনেক আনন্দের।

ভিড় বাড়ার সাথে সাথে বিক্রিও বেড়েছে প্যাভিলিয়ন ও স্টলগুলোতে। চলছে ছাড়ের ছড়াছড়িও। আগের দিনগুলো ব্যবসায়ীরা সাজ-সজ্জায় ব্যস্ত থাকলেও সে দৃশ্য এখন পাল্টে গেছে। শুক্রবার বেচা বিক্রি নিয়ে ব্যস্ত ছিল প্রায় সব বিক্রেতারা।

নাভানা ফার্নিচারের এক কর্মকর্তা বলেন,  মেলায় শেষ দিবসে আজকে প্রচুর  ভিড়। তাছাড়া ক্রেতা না থাকলে আমাদের ভালো লাগে না। তবে ক্রেতারা আসছে পছন্দের জিনিস দেখছে। আর পছন্দ হলে তা কিনছে। পণ্যর উপর ছাড় দেয়ায় তারা খুশি।

মেলায় আগত অটোপার্টস ব্যবসায়ী মোহাম্মদ জাহিদ বাংলানিউজকে বলেন, আমার মেয়ে এবং বউকে নিয়ে মেলায় আসলাম। বিভিন্ন পণ্যের ওপর ডিসকাউন্ট দেয়া কিছু পণ্য কিনলাম। তাছাড়া এর আগে মেলায় আসা হয়নি।


মতামত জানান :

 
 
আরও পড়ুন
 
কপিরাইট © ময়মনসিংহ প্রতিদিন ডটকম - সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত | উন্নয়নে হোস্টপিও.কম