সংবাদ শিরোনাম

 

কিশোরগঞ্জ সংবাদদাতা : উৎপাদন, পুষ্টিগুণ ও চাহিদার বিচারে বাংলাদেশে বিভিন্ন জাতের ধানের মধ্যে বোরো বরাবরই শীর্ষ অবস্থানে থেকেছে। তবে এই ধান চাষে সেচের মাধ্যমে প্রচুর পরিমাণ পানির প্রয়োজন হয়। কারণ প্রাকৃতিকভাবেই এটি জল-সহনীয় একটি প্রজাতি। অত্যধিক পানির প্রয়োজন হয় বলে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বোরো চাষের ক্ষেত্রে পিছিয়ে থাকলেও কিশোরগঞ্জে বোর আবাদের চাহিদা বাড়ছে কৃষকদের।

কৃষি বিভাগ জানিয়েছে, সদর উপজেলার ১১টি ইউনিয়নে বোরো আবাদের লক্ষ্যমাত্রা ছিল আট হাজার ৭০০ হেক্টর জমি। ইতোমধ্যে আট হাজার ৯৫০ হেক্টরের কাছাকাছি বোরো ধান আবাদ হয়েছে বলে জানিয়েছেন সদর উপজেলার কৃষি অফিসার দিলরুবা ইয়াসমিন।

কৃষি কর্মকর্তা আরও জানান, আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে এবং কোনো রকমের প্রাকৃতিক দুর্যোগ না হলে এবার বাম্পার ফলনের আশা করা হচ্ছে।

মাঠে কৃষকদেরও দেখা গেছে উৎফুল্ল। কৃষকরা এখন ধানী জমিতে নিড়ানি দিচ্ছেন। সোনালি ফসলের স্বপ্নে তারা এখন বিভোর।


মতামত জানান :

 
 
আরও পড়ুন
 
কপিরাইট © ময়মনসিংহ প্রতিদিন ডটকম - সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত | উন্নয়নে হোস্টপিও.কম