সংবাদ শিরোনাম

 

নিজস্ব প্রতিবেদক, সিলেট : চিকিৎসকদের পরামর্শে মানসিক অবস্থার উন্নতির জন্য সিলেট শহরতলির আউশা গ্রামের নিজ বাড়িতে বাবা-মাসহ পরিবারের সঙ্গে সময় কাটাচ্ছেন কলেজছাত্রী খাদিজা আক্তার নার্গিস। সিআরপিতে বেশ কিছু দিন কাটানোর পর খাদিজা এখন সিলেটে নিজ বাড়িতে।

মৃত্যুঞ্জয়ী খাদিজাকে এক নজর দেখতে বাড়িতে এলাকার লোকজন এখনও ভিড় করছেন। মানুষের এই ভিড় সামলাতে হিমশিম খেতে হচ্ছে খাদিজার পরিবারকে। অনেক প্রতিবেশী খাদিজাকে দেখতে তার বাড়িতে যাচ্ছেন। বাড়ির উঠানে জটলা পাকিয়ে ঘরে ঢুকছেন। আউশা ছাড়াও আশপাশের গ্রাম থেকে আসছে মানুষ।

খাদিজার বাবা মাশুক মিয়া বলেন, চিকিৎসকের নিষেধের কারণেই তাকে কম কথা বলতে হচ্ছে। আগামীকাল বুধবার বাড়িতে তার এক সপ্তাহ হবে। কালই আমরা তাকে আবার সভারের সিআরপিতে চিকিৎসকদের কাছে নিয়ে যাব।

ঢাকায় টানা ১১৭ দিন চিকিৎসা শেষে গত ১ ফেব্রুয়ারি বিমানে চড়ে গ্রামের বাড়িতে ফেরেন খাদিজা। খাদিজার বাড়িতে ফেরার পর তার নিরাপত্তায় পুলিশ দেয়া হয়েছে। সব সময় চারজন পুলিশ সদস্য তার নিরাপত্তায় রয়েছেন।

বাড়িতে দায়িত্বরত পুলিশ কনস্টেবল মেহেদী হাসান বলেন, একজন উপপরিদর্শকের (এসআই) সঙ্গে আমরা সার্বক্ষণিক নিরাপত্তার দায়িত্বে কাজ করে যাচ্ছি।

খাদিজার ভাই শারনান হক শাহিন জানান, বাড়িতে মায়ের হাতে রান্না করা সাতকড়া দিয়ে গরুর মাংস বেশি খাচ্ছেন খাদিজা। অন্য খাবারও খাচ্ছেন তিনি। খাবারে কোনো বাধা নেই। বাড়িতে খাদিজা বান্ধবীদের সঙ্গে কথাও বলছেন। পুরোপুরি সুস্থ না হলেও মানসিক স্বাস্থ্যের উন্নতির জন্য পরিবারসহ আশপাশে সবার সঙ্গে বেশ হাসিখুশি খাদিজা।

সব মিলিয়ে এক সপ্তাহের জন্য বাড়িতে আসার এ সময়ে খাদিজাকে মায়ের হাতের রান্না আর প্রতিবেশীদের সঙ্গে সময় কাটাতে বেশ ব্যস্ত দেখা গেছে। তবে সব কিছু ঠিক থাকলেও খাদিজাকে কথা বলতে দেওয়া হচ্ছে বেশ কম।

খাদিজার চাচাতো ভাই নয় বছরের শিশু জুবায়ের আহমেদ রাহাত জানায়, আপা (খাদিজা) বাড়িতে আসলে আমরা কেক কেটে তাকে বরণ করেছি।


মতামত জানান :

 
 
আরও পড়ুন
 
কপিরাইট © ময়মনসিংহ প্রতিদিন ডটকম - সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত | উন্নয়নে হোস্টপিও.কম