সংবাদ শিরোনাম

 

সুমন রায়, নেত্রকোনা ময়মনসিংহ প্রতিদিন ডটকম : নাব্যতা হারিয়ে নেত্রকোনার প্রায় সব নদীই শুকিয়ে গেছে। পাহাড়ি ঢলে নেমে আসা পলি সময়মত অপসরণ না করায় ভরাট হয়ে গেছে বেশীর ভাগ নদী। নদীতে নাব্য না থাকায় পেশা বদলিয়েছে জেলেরা। এতে একদিকে বিপর্যস্ত হচ্ছে নেত্রকোনার জনজীবন এবং এ অঞ্চল হারাচ্ছে প্রকৃতির স্বাভাবিক অবস্থা।

পানি না থাকায় একই নদী কোথাও ধলাই আবার কোথাও মগড়া নামে পরিচিত। এ নদীর বুকেই চলছে চাষাবাদ। অথচ একসময় শীতকালেও মগড়ায় থাকতো ২০ থেকে ৩০ ফিট পানি। পুরো এলাকায় সবচেয়ে গতিপথ যে নদীর তাকেই এখন চেনা যায় না। স্থানীয়রা জানান, চৈত্র মাসেও নদীতে ২০ হাত পানি থাকতো। নদীর পাশে পাশাপাশি ২টা বাজার। বাজারে মানুষ একসময় নৌকা- স্টিমারে মালামাল আনতো।

সৌন্দর্য্য হারিয়েছে গাঢ়ো পাহাড় ঘেরা সমেশ্বরী নদীও। বর্ষা মেীসুম ছাড়া সেখানেও প্রবাহ থাকে না। পানি না থাকায় অধিকাংশ জেলেরা এখন কৃষিকাজে ঝুঁকছেন। কিন্তু পানি না থাকায় সেই কাজও অনেক সময় ব্যহত হচ্ছে।

বরাবরের মতো নদী খননের আশ্বাস দিয়েছেন পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকেীশলী আবু তাহের। তিনি জানান, ‘নদীগুলো খননের জন্য পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ে মাস্টার প্ল্যান করা হচ্ছে’।

নেত্রকোনার ৫৭টি নদীর বেশীর ভাগই পলি পড়ে ভরাট হয়ে গেছে। এর মধ্যে মগড়া, সোমাই, কংশ, ধনুসহ ১২টি নদীর তলদেশই শুকিয়ে যায় গ্রীষ্মের আগেই। যারা মাছ বিক্রি করে সংসার চালাতো তারা এখন দুর্বিষহ জীবন যাপন করছে।


মতামত জানান :

 
 
আরও পড়ুন
 
কপিরাইট © ময়মনসিংহ প্রতিদিন ডটকম - সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত | উন্নয়নে হোস্টপিও.কম