সংবাদ শিরোনাম

 

নিজস্ব প্রতিবেদক : অমর একুশে গ্রন্থমেলায় নীতিমালার একটি ধারা ভঙ্গের অভিযোগ উঠেছে বেশকটি প্রকাশনীর বিরুদ্ধে। বাংলাদেশ জ্ঞান ও সৃজনশীল প্রকাশক সমিতির পক্ষ থেকেই আনা হয়েছে এই অভিযোগ।

গ্রন্থমেলা নীতিমালার ৬.৪ ধারায় বলা হয়েছে, গ্রন্থমেলায় অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠানগুলো কেবল তাদের নিজেদের প্রকাশিত ও পরিবেশিত বই বিক্রি করতে পারবে। পরিবেশিত বই একাধিক স্টলে থাকা যাবে না।গ্রন্থমেলা পরিচালনা কমিটির সদস্য ও বাংলাদেশ জ্ঞান ও সৃজনশীল প্রকাশক সমিতির সাবেক সভাপতি ওসমান গণি বলেন, ‘আমরা সমিতির পক্ষ থেকে বেশকটি স্টলে গিয়ে ৬.৪ ধারাটির ব্যত্যয় দেখেছি। এটা সুস্পষ্টভাবে নীতিমালার লঙ্ঘন। আমরা এ নিয়ে বাংলা একাডেমিকে চিঠি দিয়েছি। একাডেমিকে বলেছি, দ্রুত ব্যবস্থা নিতে। তারা যদি ব্যবস্থা না নেয় তবে আমরা সংবাদ সম্মেলন করে সবাইকে জানাব।

গ্রন্থমেলা পরিচালনা কমিটির সদস্য সচিব ও বাংলা একাডেমির পরিচালক ড. জালাল আহমেদ বলেন, ‘আমরা এ ধরনের অভিযোগ পেয়েছি। অভিযোগের সত্যতা পেলে অবশ্যই ব্যবস্থা নেয়া হবে।

এদিকে বাংলা একাডেমির ভেতরে সেন্টার ফর বাংলাদেশ লিবারেল ওয়ার স্টাডিজ- এর স্টলে বিক্রি হচ্ছে আগামী প্রকাশনী থেকে বের হওয়া ‘শেখ হাসিনা: নির্বাচিত প্রবন্ধ’, অনন্যা থেকে প্রকাশিত ‘আমি বিজয় দেখেছি’, জাগৃতি থেকে প্রকাশিত  নীলিমা ইব্রাহীমের ‘আমি বীরাঙ্গনা বলছি’, প্রথমা থেকে প্রকাশিত এ কে খন্দকারের ‘ভেতরে বাইরে’ বইগুলো।

এই প্রকাশনীর বিক্রেতা আশরাফুল ইসলাম বলেন, ‘আমাদের তো বলা হয়েছে এসব বই বাংলা একাডেমির কমিটি থেকে অনুমোদন নেয়া হয়েছে। কিন্তু মেলা কমিটির সদস্য ওসমান গণি তা নাকচ করে দিয়েছেন। সেন্টার ফর এডুকেশন ইন সায়েন্সের স্টলে বিক্রি হচ্ছে মাওলা ব্রাদার্স থেকে প্রকাশিত ‘বিশ্ব জলাধার পরিবর্তন গবেষণা’,  মুহাম্মদ ইব্রাহীমের ‘বিশ্ব জলবায়ু পরিবর্তন: গবেষণাগুলো কী’।

অন্যদিকে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের অংশে হেলাল পাবলিকেশন্স বিক্রি করছে নিহাল পাবলিকেশন্স থেকে প্রকাশিত ‘হযরত ফাতেমা (রাঃ) এর জীবনী’ ও দাম্পত্য-সমস্যাবিষয়ক নানা  বই। নীতিমালার ব্যত্যয় ঘটিয়ে ইতি প্রকাশনী থেকে প্রকাশিত আনিসুল হকের ‘কিশোর সমগ্র’ ও সেলিনা ইয়াসমীনের ‘আধুনিক রান্না’র বইগুলো বিক্রি করছে শাহজী প্রকাশনী।

গ্রন্থমেলার সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়েছিল, যেসব প্রকাশনী স্টল পায়নি তাদের বইগুলো জাতীয় গ্রন্থকেন্দ্র থেকে বিক্রয়ের সুযোগ রয়েছে। কিন্তু সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে তার উল্টো চিত্র। মেলা পরিচালনা কমিটির সদস্য সচিব ড. জালাল আহমেদ বলেন, ‘আমরা এসব নীতিমালা লঙ্ঘনের বিষয়ে এবার কোনো ছাড় দেব না। এদের ব্যাপারে দ্রুত সিদ্ধান্ত জানাব।’


মতামত জানান :

 
 
আরও পড়ুন
 
কপিরাইট © ময়মনসিংহ প্রতিদিন ডটকম - সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত | উন্নয়নে হোস্টপিও.কম