সংবাদ শিরোনাম

 

নিজস্ব প্রতিবেদক : বিএনপির নির্বাচনকালীন সহায়ক সরকারের দাবি উড়িয়ে দিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেন, বিএনপি নতুন প্রধান নির্বাচন কমিশনার কে এম নুরুল হুদাকে বিতর্কিত করতে ব্যর্থ হয়ে এখন নতুন দাবি নিয়ে আগাতে চাইছে। কিন্তু এটা কখনো মেনে নেয়া হবে না।

শুক্রবার বিকালে রাজধানীর সায়েদাবাদে পরিবহন মালিক-শ্রমিকদের সমাবেশ শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন ওবায়দুল কাদের।

নির্বাচনকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবিতে দশম সংসদ নির্বাচন বর্জন করা বিএনপি এখন এই দাবি থেকে সরে এসেছে। তবে নির্বাচন কমিশন গঠন নিয়ে রূপরেখা প্রকাশের দিন গত ১৮ নভেম্বর খালেদা জিয়া প্রথমবারের মতো ‘স্বাধীন ও নিরপেক্ষ’ নির্বাচন কমিশনকে সহযোগিতা করতে ‘সহায়ক সরকার’ বিষয়ে কথা বলেন। জানান, যথা সময়ে এই রূপরেখা নিয়ে হাজির হবেন তিনি।

গত সোমবার রাতে নতুন নির্বাচন কমিশন নিয়োগ দিয়েছেন রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ। পাঁচ সদস্যের এই কমিশনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার কে এম নুরুল হুদাকে নিয়োগ দেয়া নিয়ে আপত্তির কথা বলেছে বিএনপি।

নিজেদের পছন্দসই সিইসি না পেলেও বিএনপি এ নিয়ে কোনো ধরনের কর্মসূচি দেয়নি। আর নেতারা বলছেন, এখন তাদের প্রধান লক্ষ্য নির্বাচনকালীন সহায়ক সরকারের দাবি আদায়।

২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারির নির্বাচনের আগে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নির্বাচন পরিচালনার জন্য অন্তর্বর্তী সরকারে বিএনপিকেও যোগ দেয়ার আহ্বান জানিয়েছিলেন। তবে বিএনপি সে আমন্ত্রণ গ্রহণ করেনি।

ওবায়দুল কাদের বলেছেন, ‘বিএনপি নবগঠিত নির্বাচন কমিশনের প্রধান নির্বাচন কমিশনকে বিতর্কিত করতে চেয়ে ব্যর্থ হয়েছে। এ কারণেই তাঁরা এখন নতুন করে নির্বাচনকালীন সরকার নিয়ে শোরগোল শুরু করেছে। আমি বলতে চাই, বাংলাদেশে নির্বাচনকালীন সরকার অন্যান্য গণতান্ত্রিক দেশে যেভাবে হয় আমাদের দেশে সেভাবেই হবে। এর অধীনেই আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন হবে।’

গত ১১ জানুয়ারি রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদের সঙ্গে সংলাপে নির্বাচনকালীন এই সরকারের রূপরেখা আওয়ামী লীগ দিয়ে এসেছে বলে আগের দিন এক বক্তৃতায় জানিয়েছিলেন ওবায়দুল কাদের। বলেন, ওই সরকার কোনো নীতিগত সিদ্ধান্ত নেবে না, উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদনও করবে না। তারা কেবল রুটিন কাজ করবে এবং নির্বাচন কমিশনকে নির্বাচন অনুষ্ঠানে সহায়তা করবে।

সায়েদাবাদের সমাবেশে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতাদের কারও নাম উল্লেখ না করে তাদের সমালোচনা করেন ওবায়দুল কাদের। বলেন, প্রধানমন্ত্রীকে যে কোন সময় ফোন দিলেই পাওয়া যায়। তবে দেশের যে কোন নেতাকে সকাল দশটায় ফোন দিলে পাওয়া যাবে না।


মতামত জানান :

 
 
আরও পড়ুন
 
কপিরাইট © ময়মনসিংহ প্রতিদিন ডটকম - সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত | উন্নয়নে হোস্টপিও.কম