সংবাদ শিরোনাম

 

ক্রীড়া প্রতিবেদক : দলীয় ১১ রানের মাথায় তামিম ইকবালকে হারিয়ে খানিকটা ধাক্কা খায় বাংলাদেশের ব্যাটিং লাইন আপ। তামিমের বিদায়ের পর সৌম্য আর মুমিনুল মিলে শুরুর ধাক্কা সামলে নিচ্ছেন। এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত ১ উইকেটে ৫৫ রান করেছে বাংলাদেশ।

এর আগে ১৫৯ রানেই দ্বিতীয় ইনিংস ঘোষণা করল স্বাগতিক ভারত। সেই সুবাদে জয়ের জন্য বাংলাদেশকে করতে হবে ৪৫৯ রান। এককথায় অসম্ভব একটা লক্ষ্যমাত্রা। তারপরও ক্রিকেটে যে রোমাঞ্চের শেষ নেই।

এদিন ব্যক্তিগত ২৮ রান করে সাকিবের বলে সরাসরি বোল্ড হন রাহানে। দলীয় ৯০ রানের মাথায় তৃতীয় শিকারের দেখা পেল বাংলাদেশ। সাকিব আল হাসানের বলে মিড অফে রিয়াদের হাতে ক্যাচ তুলে দেন কোহলি। আউট হওয়ার আগে ৪০ বলে ৩৮ রানের ইনিংস খেলেছেন ভারতীয় দলনেতা।

শুরুতেই ভারতীয় শিবিরে জোড়া আঘাত হানেন তাসকিন আহমেদ। প্রথম ইনিংসে ১০৮ রান করা মুরালি বিজয়কে এবার ৭ রানের মাথায় ফেরালেন তাসকিন। এরপর ১০ রান করা লোকেশ রাহুলকেও বিদায় করলেন এই টাইগার পেসার।

চতুর্থ দিনে আজ বাংলাদেশকে ফলোঅন না কারিয়ে নিজেরাই ব্যাটিংয়ে নেমে পড়েন ভারত। সকালে ফলোঅনের লজ্জাটা একপ্রকার জেঁকে বসেছিল সবার মনে। কিন্তু শেষমেশ রক্ষা হয়েছে অপ্রত্যাশিতভাবে। ২৯৯ রানের লিড পাওয়ার পরও ভারতীয় অধিনায়ক বিরাট কোহলি ভরসা পেলেন না আরেকবার ফিল্ডিং করার।

এদিকে প্রথম ইনিংসে মুশফিকের ১২৭ রানের বীরোচিত ইনিংসে ভর করে ৩৮৮ রানের পুঁজি পায় বাংলাদেশ। ফলে ভারতের চেয়ে ২৯৯ রানে পিছিয়ে প্রথম ইনিংস শেষ করল টাইগাররা।

ফলোঅন এড়ানোর লক্ষ্য নিয়েই চতুর্থ দিন মাঠে নামেন মুশফিক-মিরাজ। কিন্তু কোনো কিছু বুঝে উঠার আগেই বিদায় নিলেন মিরাজ। এরপর একে একে ফিরে গেলেন তাইজুল, তাসকিন।

তবে সবাইকে ছাড়িয়ে অসাধারণ খেলেছেন ক্যাপ্টেন। নয় উইকেট খুইয়ে বাংলাদেশের যখন যায়যায় অবস্থা। ঠিক তখনও অবিচল ছিল মুশফিকের ব্যাট। শেষ পর্যন্ত লাল-সবুজের দেশকে লড়াকু এক শতক উপহার দেন মুশফিক। টেস্টে এটি তাঁর পঞ্চম শতরানের ইনিংস।

হায়দরাবাদ টেস্টের তৃতীয় দিন শেষে বাংলাদেশের স্কোর বোর্ডে জমা পড়েছিল ৬ উইকেটে ৩২২ রান। ৮১ রানে মুশফিক ও ৫১ রান নিয়ে অপরাজিত ছিলেন মিরাজ।

ওইদিন টেস্টে তিন হাজারি ক্লাবে নাম লেখান মুশফিক। তার আগে তুলে নেন ১৬তম অর্ধশতও। তাঁকে সঙ্গ দিয়ে দারুণ নৈপুণ্য দেখিয়েছেন মেহেদী হাসান মিরাজ। প্রথমবারের মতো টেস্টে অর্ধশতক রানের দেখা পান মিরাজ।

পাঁচ নম্বরে ব্যাট করতে নেমে মুশফিকের সঙ্গে ১০৭ রানের পার্টনারশিপ গড়েন সাকিব। শেষ পর্যন্ত ৮২ রানে বিদায় নেন সাকিব।

হতাশ করেন সাব্বির রহমান। তিনি ফিরে যান ১৬ রান করে। এছাড়া দিনের শুরুতে মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ ২৮ ও তামিম ইকবাল ২৫ রান করে আউট হন।


মতামত জানান :

 
 
 
কপিরাইট © ময়মনসিংহ প্রতিদিন ডটকম - সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত | উন্নয়নে হোস্টপিও.কম