সংবাদ শিরোনাম

 

ভৈরব (কিশোরগঞ্জ) প্রতিনিধি : কয়েকদিন ধরে ভৈরবে ধান ও চালের দাম অস্বাভবিকভাবে বেড়ে গেছে। বর্তমান বাজারে প্রতি কেজি চিকন  চাল ৪৪ টাকা, মোটা ৩৭ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

ব্যবসায়ীরা জানান, গত এক মাস আগেও বাজারে চালের দাম প্রতি কেজি ৩৫ টাকা থেকে ৪০ টাকা দরে বিক্রি হয়েছে। তবে নাজিরশাল পাইজাম চালের দাম বাজারে প্রতি কেজি ৪৮ টাকা থেকে ৫০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

ভৈরব বাজারের চাল ব্যবসায়ীরা বলেছেন, ধানের দাম বাড়ার কারণেই মিল মালিকরা চালের দাম বাড়িয়ে দিয়েছে।

বন্দরনগরী ভৈরব বাজারে প্রতি মণ চিকন বিআর-২৯ ধান ১ হাজার টাকা থেকে ১ হাজার ৫০ টাকা এবং মোটা ধান ৯ টাকা থেকে ৯৫০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে বলে আড়ৎদাররা জানান।

চালের দাম বাড়ার কারণে মধ্যবিত্ত ও নিম্ন আয়ের মানুষ দিশেহারা হয়ে পড়েছে।

বন্দরনগরী ভৈরব বাজারে গত দুই মাস আগেও চালের দাম গড়ে কেজি প্রতি পাঁচ-ছয় টাকা কম ছিল। ভৈরবে দুই মাস আগে ৫০ কেজি চিকন চালের বস্তার পাইকারি দাম ছিল ১ হাজার ৮৫০ টাকা থেকে ১ হাজার ৯শ টাকা। মোটার দাম ছিল প্রতি বস্তায় ২৫০ টাকা থেকে ৩শ টাকা কম। নাজিরশাল চালের ৫০ কেজি বস্তার দাম ছিল ২ হাজার টাকা। তখন ধানের দামও প্রতিমণ ৭৫০ টাকা থেকে ৮শ টাকা।

ভৈরবের মিল মালিকরা জানান, গত দুই মাসে ধানের দাম মণ প্রতি ২শ টাকা বেড়ে গেছে। বর্তমানে বোরো আবাদ শুরু হলেও নুতন ধান বাজারে আসতে আরও তিন মাস বাকি রয়েছে। আগামী বৈশাখ মাসের আগে নুতন ধান বাজারে আসবে না।

ব্যবসায়ীদের আশঙ্কা নুতন ধান বাজারে না আসা পর্যন্ত চালের দাম কমবে না, বরং আরও বাড়তে পারে।

ভৈরব খাদ্য শষ্য ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক হুমায়ূন কবির জানান, প্রতি বছরই বছরের শেষপ্রান্তে এসে ধান চালের মূল্য বৃদ্ধিৃ পায়। চলতি বছর সরকার কৃষকের কাছ থেকে ধান চাল বেশি করে কিনে মজুত করেছে। বাজারে চালের দাম বৃদ্ধি হলে সরকার খোলা বাজারে চাল বিক্রি করে বাজার দর কম রাখে। এতে সাধারণ মানুষ খেয়ে বেঁচে থাকে। বর্তমানে চালের দাম বাজারে কমাতে হলে সরকারিভাবে খোলা বাজারে চাল ছাড়তে হবে।


মতামত জানান :

 
 
আরও পড়ুন
 
কপিরাইট © ময়মনসিংহ প্রতিদিন ডটকম - সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত | উন্নয়নে হোস্টপিও.কম