সংবাদ শিরোনাম

 

নিজস্ব প্রতিবেদক : অমর একুশে গ্রন্থমেলায় দিনটি ছিল ভালবাসার। তবে ঘোরার জন্যেই বেশিরভাগ কপোত-কপোতীরা বেছে নিয়েছিলেন বইমেলাকে। কবি মোহাম্মদ সামাদ বলেছেন, তরুণ তরুণীরা আসছে ভালো। কিন্তু যদি একটা করে বইও কিনে আরো ভালো হবে।

ভালবাসা দিবস মানেই তারুণ্যের উৎসব। শুধু নরনারীর প্রেম নয়, যে কোনো সম্পর্কের ভালবাসাকে স্মরণীয় করার চেষ্টা থাকে এই দিনে।

মঙ্গলবার (১৪ ফেব্রুয়ারি)  মেলার ১৪তম দিনে, ভালবাসার দিনে বইমেলায় চাপ ছিল পাঠকের। এ দিনের বইমেলাকে বলা হচ্ছিল, ভালবাসার মেলা। যেখানে বই ভালবাসার সম্পর্কের মাঝে সেতু তৈরি করে।

মেলায় এদিন নতুন বই এসেছ ১৪৬টি এবং ২৩টি নতুন বইয়ের মোড়ক উন্মাচন করা হয়। গ্রন্থমেলা শুরু হওয়ার পর থেকে সোমবার পর্যন্ত বাংলা একাডেমির বিক্রির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৫০ লাখ ৯০ টাকা। মঙ্গলবার বিকেলে মূলমঞ্চে অনুষ্ঠিত হয় পঞ্চাশ ও ষাট দশকের একুশের সংকলন শীর্ষক আলোচনা অনুষ্ঠান।

অনুষ্ঠানে প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন প্রাবন্ধিক-গবেষক ড. ইসরাইল খান। আলোচনায় অংশ নেন শিশুসাহিত্যিক আখতার হুসেন ও সাংবাদিক অজয় দাশগুপ্ত। সভাপতিত্ব করন সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব কামাল লোহানী।

প্রাবন্ধিক বলেন, ১৯৫০ ও ১৯৬০ দশকে একুশের যেসব সংকলন প্রকাশিত হয় সেগুলো যেন বাংলার নবজাগরণের প্রথম প্রভাত প্রকাশিত সাময়িকপত্রের ধারাবাহিকতাকে নতুন মাত্রায় উন্নীত করে। ১৯৪৭-এ পাকিস্তান প্রতিষ্ঠার পরপর রাষ্ট্রভাষা বাংলার দাবিতে গড়ে ওঠা জাতীয়তাবাদী আন্দোলন শুধু রাষ্ট্রভাষা হিসেবে বাংলার প্রতিষ্ঠাই নিশ্চিত করেনি একই সঙ্গে সাহিত্য-সংস্কৃতিমনা তরুণ প্রজন্মের মাঝে ছড়িয়ে গেছে অসামান্য উত্তাপ। এই উত্তাপেরই ফল হিসব আমরা গত শতকের পঞ্চাশ ও ষাট দশকে অজস্র আগুনের ফুলের মতা অসংখ্য একুশের সংকলন প্রকাশিত হতে দেখি। বলাই বাহুল্য এইসব সংকলন কেবল ভাষা আন্দোলন, ভাষাশহীদ এবং অমর একুশের চেতনাকেই ধারণ করেনি, একই সঙ্গে স্বাধীনতামুখী সংগ্রামের বীজও বপন করে গেছে।

আলাচকরা বলেন, বায়ান্নর একুশের প্রজন্ম শুধু ভাষা আন্দোলন করেই নিজেদের দায়িত্ব শেষ করেননি বরং প্রতিকূল পরিবেশে পঞ্চাশ ও ষাটের দশক পাড়া-মহল্লায়, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে বিপুল সংখ্যক একুশের সংকলন প্রকাশের মধ্য দিয় মাতৃভাষা ও মাতৃভূমির প্রতি নিজদের অকৃত্রিম ভালবাসার বহিঃপ্রকাশ ঘটিয়েছেন।


মতামত জানান :

 
 
আরও পড়ুন
 
কপিরাইট © ময়মনসিংহ প্রতিদিন ডটকম - সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত | উন্নয়নে হোস্টপিও.কম