সংবাদ শিরোনাম

 

এইচ এম মোমিন তালুকদার, ত্রিশাল ময়মনসিংহ প্রতিদিন ডটকম :  ত্রিশালে ব্ল্যাকমেইল ও দেহ ব্যবসার অভিযোগে এক স্কুল শিক্ষিকাসহ ৬ জনকে বিক্ষোব্দ এলাকাবাসী আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেছে। এ ঘটনায় এলাকায় যেমন তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে, অন্যদিকে আটককৃতদের একনজরে দেখতে থানায় ভিড় করছেন এলাকাবাসী। ত্রিশাল থানার ওসি মনিরুজ্জামান, এলাকাবাসী, পৌরসভার ৫নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর ও প্যানেল মেয়র -১ মোহাম্মদ নাসিমসহ বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে, ত্রিশাল পৌরসভার ৫নং ওয়ার্ডের ভাড়া বাসায় এ ঘটনা ঘটে। ওসি মনিরুজ্জামান জানান, ত্রিশালের বাদামিয়া পূর্বপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষিকা আফরোজা বেগম সুমি বেশ কিছুদিন যাবৎ ওই বাসায় ভাড়া থাকতেন। জানাযায়, জামালপুরের সানজিদা আফরিন শাওন ও একই এলাকার আবদুর রহিম লোভান মঙ্গলবার বিশ্ব ভালবাসা দিবস উপলক্ষে দিনব্যাপী বিভিন্ন স্থানে ঘোরাঘোরি করেন। রাতে ত্রিশাল আসেন। পূর্ব পরিচিত থাকায় লোভান অতিথি হিসাবে শিক্ষিকা সুমির বাসায় যান। রাত একটার দিকে খাওয়া দাওয়া শেষে শাওন ও লোভান ঘুমের প্রস্তুতি নেয়। এসময় শিক্ষিকার ঘরে থাকা ফুলবাড়িয়া রাধাকানাইয়ের মনিরুজ্জামান একই এলাকার ওসমান গনি ও ময়মনসিংহ সদরের ইউসুফ আলী লোভানের কাছে ২০ হাজার টাকা  দাবি করে। টাকা দিতে অপারগতা প্রকাশ করলে শিক্ষিকার নির্দেশে ব্ল্যাকমেইলের উদ্দেশ্যে তারা লোভানের গলায় পাতিল ধরার বেড়ি দিয়ে গলায় চাপ দেয় ও অন্যরা দা নিয়ে লোভানের উপর দাড়িয়ে থাকে। এসময় লোভান চিৎকার করলে  প্রতিবেশিরা তাদের সবাইকে দেহ ব্যবসা ও ব্ল্যাক মেইলের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে আটক করে পুলিশে সোর্পদ করে। বুধবার সকাল ৮ টার দিকে পুলিশ তাদের সবাইকে আটক করে থানায় নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করছে বলে ওসি মনিরুজ্জামান জানান। তিনি আরও জানান, ওই স্কুল শিক্ষিকা শাওন ও লোভানকে ব্ল্যাক মেইল করে টাকা হাতিয়ে নেয়ার উদ্দেশ্যেই ওই ঘটনা ঘটিয়েছেন। ওদিকে শাওন ও লোভান স্বামী স্ত্রী পরিচয় দিলেও শাওনের মা জানান, তাদের বিয়ে হয়নি। শাওন ময়মনসিংহ ও লোভান সিলেটে পড়াশোনা করে বলে জানা গেছে। এলাকাবাসীর অভিযোগ ওই স্কুল শিক্ষিকা তার বাসায় দীর্ঘদিন যাবৎ অসামাজিক কার্যকলাপ করে আসছিলেন।


মতামত জানান :

 
 
আরও পড়ুন
 
কপিরাইট © ময়মনসিংহ প্রতিদিন ডটকম - সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত | উন্নয়নে হোস্টপিও.কম