সংবাদ শিরোনাম

 

নিজস্ব প্রতিবেদক : অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ জাতীয় সংসদ নির্বাচন করতে ই-ভোটিং ব্যবস্থা চালু করা যেতে পারে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বর্তমানে বিরাজমান সব বিধি-বিধানের সঙ্গে সঙ্গতি রেখেই এই ব্যবস্থা চালুর পক্ষে প্রধানমন্ত্রী। বলেন, জনমানুষের ভোটাধিকার সুনিশ্চিত করার স্বার্থে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ‘ই-ভোটিং’ প্রবর্তন করার পরিকল্পনা বিবেচনায় নেয়া যেতে পারে।

বুধবার বিকালে জাতীয় সংসদে তার জন্য নির্ধারিত প্রশ্নোত্তর পর্বে সংরক্ষিত মহিলা আসনের সদস্য নূর-ই-হাসনা লিলি চৌধুরীর প্রশ্নের জবাবে এই মন্তব্য করেন প্রধানমন্ত্রী।

প্রশ্নোত্তর পর্বে নির্বাচন কমিশন গঠনে সৃষ্ট জটিলতা নিরসনে আইন প্রণয়নের উদ্যোগ নিতে সংশ্লিষ্টদের এখন থেকেই কাজ শুরুর নির্দেশও দেন শেখ হাসিনা। বলেন, পরবর্তীতে প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও অন্য নির্বাচন কমিশনার নিয়োগের লক্ষ্যে একটি উপযুক্ত আইন প্রণয়ন করা হোক। সংবিধানের নির্দেশনার আলোকে এখন থেকেই সেই উদ্যোগ গ্রহণ করা যেতে পারে।

এ সময় সদ্য নিয়োগপ্রাপ্ত প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও চার নির্বাচন কমিশনারকে অভিনন্দন জানান তিনি।

স্বতন্ত্র সদস্য মো. আব্দুল মতিনের এক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বর্তমান আওয়ামী লীগ সরকারের সক্রিয় কূটনৈতিক উদ্যোগের ফলশ্রুতিতে এ বছরের শুরুতে বাংলাদেশ বিশ্বের অন্যতম পুরনো বহুমুখী আঞ্চলিক সংস্থা ‘অর্গানাইজেশন অব আমেরিকান স্টেটস (ওএএস)’র স্থায়ী পর্যবেক্ষকের মর্যাদা লাভ করেছে।

শেখ হাসিনা বলেন, ১৯৪৮ সালে গঠিত এই আঞ্চলিক সংস্থাটিতে উত্তর-দক্ষিণ-মধ্য আমেরিকা এবং ক্যারিবিয় অঞ্চলের মোট ৩৫টি দেশের প্রতিনিধিত্ব রয়েছে। বর্তমানে বাংলাদেশসহ বিশ্বের মোট ৭২টি রাষ্ট্র ও সংস্থা’র স্থায়ী পর্যবেক্ষক।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘ওএএস’’র স্থায়ী পর্যবেক্ষক হিসেবে অন্তর্ভুক্তি ‘ওএএস’ যুক্ত দেশসমূহের সাথে বাংলাদেশ দ্বিপাক্ষিক স্বার্থ-সংশ্লিষ্ট বিষয়ে অধিকতর সম্পৃক্ততা এবং সহযোগিতার দ্বার উন্মোচন করবে। একই সাথে বিভিন্ন বহুপাক্ষিক বিষয়সমূহ যেমন- গণতন্ত্র, সন্ত্রাস নির্মূল, আন্তর্জাতিক মানবাধিকার, বিনিয়োগ, বাণিজ্য, টেকসহ উন্নয়ন, শান্তি ও নিরাপত্তা নিয়ে সংশ্লিষ্ট দেশসমূহের সাথে বাংলাদেশ আরও নিবিড়ভাবে কাজ করতে পারবে। তিনি বলেন, জাতিসংঘের অনেক সদস্য রাষ্ট্রই এ সংস্থাটির সক্রিয় সদস্য এবং পর্যবেক্ষক হওয়ায় জাতিসংঘের প্লাটফর্মের বাইরে সদস্য রাষ্ট্রসমূহের সাথে সম্পর্ক সুদৃঢ়করণের ক্ষেত্রে বিকল্প প্লাটফর্ম হিসেবে এই সংস্থাটিতে যোগদান ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে। একই সাথে স্থায়ী পর্যবেক্ষক হওয়ার কারণে বাংলাদেশ সংস্থাটির সকল আলোচনা ও গুরুত্বপূর্ণ সভায় অংশগ্রহণ করতে পারবে।


মতামত জানান :

 
 
 
কপিরাইট © ময়মনসিংহ প্রতিদিন ডটকম - সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত | উন্নয়নে হোস্টপিও.কম