সংবাদ শিরোনাম

 

নিজস্ব প্রতিবেদক : নতুন নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সদস্যরা সাভারে জাতীয় স্মৃতিসৌধে ফুল দিয়ে মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়েছেন। বৃহস্পতিবার সকাল ১০টার দিকে সিইসি নুরুল হুদার নেতৃত্বে কমিশনের সদস্যরা সাভারে যান। সেখানে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানানোর পর তারা কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন। পরে শোকবইতে স্বাক্ষর করেন। অপেক্ষমাণ সাংবাদিকদের সঙ্গে কথাও বলেছেন সিইসি।

গতকাল বিকালে সিইসি ও চারজন কমিশনার শপথ নেন। প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহা তাদের শপথ পাঠ করান। চার কমিশনার হলেন সাবেক অতিরিক্ত সচিব মাহবুব তালুকদার, সাবেক সচিব মো. রফিকুল ইসলাম, অবসরপ্রাপ্ত জেলা জজ বেগম কবিতা খানম ও ব্রিগেডিয়ার (অব.) শাহাদত হোসেন চৌধুরী।

নির্বাচন কমিশনের সদস্যরা জাতীয় স্মৃতিসৌধে পৌঁছলে তাদের স্বাগত জানান, ঢাকার এসপি শাহ মিজান শাফিউর রহমান ও অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মজিবুর রহমান।

স্মৃতিসৌধ থেকে ফিরে নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে বৈঠক করবেন সিইসি। সেখানে আগামী দিনের কর্মকৌশল নিয়ে আলোচনা করবেন কমিশনের নতুন সদস্যরা।

গতকাল শপথ গ্রহণের পরপরই সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন সিইসি। তিনি জানান, সব দলকে আস্থায় নিয়ে তিনি নিরপেক্ষভাবে কাজ করবেন। আগামী দিনে নিজের কাজ দ্বারাই নিরপেক্ষতার প্রমাণ দিতে চান বলে জানান নির্বাচন কমিশনের সদস্যরা।

রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আলোচনার পর সার্চ কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে গত ৬ ফেব্রুয়ারি নতুন নির্বাচন কমিশন গঠন করেন রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ। নতুন নির্বাচন কমিশনের অধীনে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনসহ আগামী পাঁচ বছর বিভিন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এজন্য রাজনৈতিক দলগুলো এই কমিশনকে গুরুত্বের সঙ্গে দেখছে।

এই কমিশনকে আওয়ামী লীগ, ১৪ দল ও জাতীয় পার্টি স্বাগত জানালেও সিইসিকে প্রত্যাখ্যান করেছে বিএনপি ও তাদের জোট। বিএনপির অভিযোগ, নতুন সিইসি ১৯৯৬ সালে জনতার মঞ্চের অন্যতম সংগঠক ছিলেন। তবে সিইসি কে এম নুরুল হুদা এই অভিযোগ অস্বীকার করে বলেছেন, তিনি তখন কুমিল্লার জেলা প্রশাসক ছিলেন। তাই জনতার মঞ্চে থাকার কোনো প্রশ্নই আসে না। এছাড়া তিনি নিজের কাজ দ্বারা নিরপেক্ষতার প্রমাণ দিতে চান চলেও ঢাকাটাইমসের সঙ্গে একান্ত সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন।

সিইসির ব্যাপারে বিএনপির আপত্তি থাকলেও অন্য কমিশনারদের ব্যাপারে দলটির কোনো আপত্তি নেই। এছাড়া আগামী ৬ মার্চ ১৮টি উপজেলা পরিষদে যে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে তাতে অংশ নিচ্ছে বিএনপি। নির্বাচন কমিশন নিয়ে আপত্তি থাকলেও আগামী জাতীয় নির্বাচনেও দলটি অংশ নেবে বলে বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে। পরপর দুই নির্বাচনে অংশ না নিলে রাজনৈতিক দলের নিবন্ধন বাতিল হয়ে যায়। নিবন্ধন বাঁচাতে আগামী নির্বাচনে অংশগ্রহণ ছাড়া বিএনপির সামনে কোনো পথ খোলা নেই।


মতামত জানান :

 
 
আরও পড়ুন
 
কপিরাইট © ময়মনসিংহ প্রতিদিন ডটকম - সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত | উন্নয়নে হোস্টপিও.কম