সংবাদ শিরোনাম

 

নিজস্ব প্রতিবেদক : প্রধান নির্বাচন কমিশনার হিসেবে পাওয়া সাংবিধানিক দায়িত্বকে চ্যালেঞ্জিং হিসেবে দেখছেন কে এম নুরুল হুদা। তবে তিনি দায়িত্ব পালনে আন্তরিক থাকবেন এবং তাতে সফল হবেন বলে মনে করছেন।

বৃহস্পতিবার সকালে জাতীয় স্মৃতিসৌধে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানানো শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে সিইসি এসব কথা বলেন।

সকাল ১০টায় সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধের শহীদ বেদীতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান সিইসি। সঙ্গে ছিলেন চার কমিশনার সাবেক অতিরিক্ত সচিব মাহবুব তালুকদার, সাবেক সচিব মো. রফিকুল ইসলাম, অবসরপ্রাপ্ত জেলা জজ বেগম কবিতা খানম ও ব্রিগেডিয়ার (অব.) শাহাদত হোসেন চৌধুরী।

তাঁর নিয়োগ নিয়ে বিএনপির প্রতিক্রিয়ার জবাবে সিইসি বলেন, ‘তারা কেন কিভাবে এসব মন্তব্য করেন। এটা তাদের ব্যাপার। এ ব্যাপারে কোনো ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়া বা মন্তব্য কোনোটাই নেই।’

সিইসি বলেন, ‘আমরা এখনো চেয়ারেই বসিনি। তাই বিস্তারিত বলার সময়ও আসেনি। তবে এতটুকুই বলবো, আমরা আন্তরিকভাবে কাজ করবো। দায়িত্বকে চ্যালেঞ্জ হিসেবে নিয়েছি। যাতে আমরা সার্থক হতে পারি।’

শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে প্রধান নির্বাচন কমিশনার জাতীয় স্মৃতিসৌধের পরিদর্শন বইতে স্বাক্ষর করেন। পরে সকাল সাড়ে ১০টার দিকে কেএম নুরুল হুদার নেতৃত্বাধীন নির্বাচন কমিশনের সদস্যরা সৌধ প্রাঙ্গণ ত্যাগ করেন।

নির্বাচন কমিশনের সদস্যরা জাতীয় স্মৃতিসৌধে পৌঁছলে তাদের স্বাগত জানান, ঢাকার এসপি শাহ মিজান শাফিউর রহমান ও অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মজিবুর রহমান।

স্মৃতিসৌধ থেকে ফিরে সিইসি নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে বৈঠকে বসবেন বলে জানা গেছে। নতুন নির্বাচন কমিশন আজ তাদের দায়িত্ব বুঝে নেবেন।

রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আলোচনার পর সার্চ কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে গত ৬ ফেব্রুয়ারি নতুন নির্বাচন কমিশন গঠন করেন রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ। গতকাল নতুন কমিশনকে শপথবাক্য পাঠ করান প্রধান বিচারপতি। এই কমিশনের অধীনে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনসহ আগামী পাঁচ বছর বিভিন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এজন্য রাজনৈতিক দলগুলো এই কমিশনকে গুরুত্বের সঙ্গে দেখছে।


মতামত জানান :

 
 
আরও পড়ুন
 
কপিরাইট © ময়মনসিংহ প্রতিদিন ডটকম - সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত | উন্নয়নে হোস্টপিও.কম