সংবাদ শিরোনাম

 

নিজস্ব প্রতিবেদক : দেশের কোনো অর্জন হলেই চক্রান্ত শুরু হয়ে যায় বলে মন্তব্য করেছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম। এরই ধারাবাহিকতায় দেশের ওষুধ শিল্প নিয়ে সূক্ষ্ম চক্রান্ত হচ্ছে বলেও দাবি করেছেন তিনি। স্বাস্থ্যমন্ত্রীর মতে, দেশের গার্মেন্টস খাত নিয়েও একই ধরনের চক্রান্ত হচ্ছে।

রাজধানীরা ঢাকা ক্লাবে ‘স্যামসন এইচ চৌধুরী সম্মেলন ২০১৭’ সম্মেলনে শনিবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) মন্ত্রী এসব কথা বলেছেন।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেছেন, ‘ওষুধ খাতের সুনাম নষ্ট করার জন্য অশুভ শক্তি কাজ করছে। এরা ভূয়া বা দুর্বল ওষুধ উৎপাদনের মাধ্যমে সুনাম নষ্ট করার চেষ্টা করছে। এ ছাড়া এই খাতকে ধ্বংস করার জন্য অনেকে দেশের বাইরে বসে রয়েছে। তবে এই খাতের উন্নয়নে আমি সব সময় পাশে আছি। এরইমধ্যে ওষুধের মান বজায় রাখতে ওষুধনীতি গ্রহণ করা হয়েছে।’

এ সময় মন্ত্রী জানিয়েছেন, স্যামসন এইচ চৌধুরী ওষুধ শিল্পের মাধ্যমে বাংলাদেশকে তুলে ধরেছিলেন। বর্তমানে বাংলাদেশে অনেক কোম্পানিতে আধুনিক পদ্ধতিতে ওষুধ তৈরি করা হয়। যে কারণে আমেরিকার মতো দেশেও ওষুধ রপ্তানি করা সম্ভব হচ্ছে। এ ছাড়া শ্রীলঙ্কাতে ভারতীয় ওষুধকে ছাপিয়ে বাংলাদেশের ওষুধ সুনাম অর্জন করেছে।

সম্মেলনে উপস্থিত বেক্সিমকো গ্রুপের ভাইস চেয়ারম্যান সালমান এফ রহমান বলেছেন, ‘বিশ্বে বাংলাদেশের ওষুধ খাতের সম্মান ক্রমান্বয়ে বাড়ছে। এই খাত নিয়ে আমি আশাবাদি। আগামি ৫ বছরের মধ্যে দেশের ওষুধ খাত অনেক দুর এগিয়ে যাবে।’

বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক তপন চৌধুরী বলেছেন, ‘দেশের ওষুধের চাহিদার ৯৮ ভাগ পূরণ করা হয় নিজস্ব উৎপাদন দিয়ে। এখন দরকার বিশ্বে রপ্তানি করা। কিন্তু দূর্ভাগ্যবশত সরকারের সহযোগিতার অভাবে কাঙিক্ষত লক্ষে অর্জন হয়নি। তবে বর্তমানে সরকার ইতিবাচক। যাতে লক্ষ্য অর্জন সহজতর হবে।’ বর্তমানে বাংলাদেশের ওষুধখাত সম্পর্কে বিশ্ব জানে বলে অভিমত দেন তিনি।

স্যামসন এইচ চৌধুরীর সম্মানে আয়োজিত সম্মেলনটি তিনটি অধিবেশনে বিভক্ত ছিল। এতে ওষুধ ও স্বাস্থ্য খাতের বিভিন্ন দিক ও বাস্তবতা তুলে ধরা হয়। এ সম্মেলন প্রতি দুই বছর অন্তর আয়োজন করা হয়। সম্মেলনের আয়োজন করে স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালস।


মতামত জানান :

 
 
আরও পড়ুন
 
কপিরাইট © ময়মনসিংহ প্রতিদিন ডটকম - সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত | উন্নয়নে হোস্টপিও.কম