সংবাদ শিরোনাম

 

টাঙ্গাইল প্রতিনিধি : টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসন থেকে নির্বাচিত নিজ দলীয় সংসদ সদস্য (এমপি) মো. ছানোয়ার হোসেনকে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের চড়-থাপ্পড় মেরেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

তবে ছানোয়ার হোসেন এ ধরনের অভিযোগ অস্বীকার করে বলেছেন, ‘এমন কোন ঘটনাই ঘটেনি। এ ব্যাপারে আমার কোন অভিযোগও নেই।’ রাজনীতিতে মনোমালিন্য হতেই পারে বলেও মন্তব্য করেন ছানোয়ার হোসেন।

তবে ছানোয়ার হোসেন অস্বীকার করলেও জেলা আওয়ামী লীগের একাধিক সূত্রে লাঞ্চিতের ঘটনা ঘটেছে বলে জানা গেছে।

সংশ্লিষ্টরা জানান, শনিবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) বিকালে ওবায়দুল কাদের রাজশাহীর মাদ্রাসা মাঠে জেলা আওয়ামী লীগ আয়োজিত বিভাগীয় কর্মী সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে যোগ দেন। সেখান থেকে শনিবার রাতে টাঙ্গাইলের যমুনা রিসোর্টে রাত্রি যাপন করতে আসেন ওবায়দুল কাদের। টাঙ্গাইল-৪ (কালিহাতী) আসন থেকে সদ্য নির্বাচিত হওয়া আওয়ামী লীগ দলীয় সংসদ সদস্য হাসান ইমাম খান সোহেল রিসোর্টটিতে রাত্রি যাপনে ওবায়দুল কাদেরকে আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন। রিসোর্টে রাত্রি যাপন শেষে রবিবার (১৯ ফেব্রয়ারি) সকালে টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে জয়দেবপুর-এলেঙ্গা মহাসড়কের চার লেন প্রকল্পের কাজ পরিদর্শণ করার কথা ছিল সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের।

এদিকে যমুনা রিসোর্টে আসার পর রাতের খাবার বিষয়ে খোঁজ খবর নেন ওবায়দুল কাদের। এ সময় তিনি কালিহাতী আসনের সাংসদ সোহেল হাজারীরও খোঁজ করেন। কিন্তু সোহেল হাজারী সেখানে উপস্থিত না থাকায় অসোন্তষ প্রকাশ করেন তিনি। এসময় টাঙ্গাইল-৫ সদর আসনের সংসদ সদস্য ছানোয়ার হোসেন বলেন, ‘সোহেল নেই তো কি হয়েছে, আমরা তো আছি।’ সাংসদের এমন কথায় রেগে গিয়ে মন্ত্রী বলেন, ‘সোহেল এক টাউট, তোরা আরেক টাউট।’ এই বলে মন্ত্রী সেখানে উপস্থিত জেলা আওয়ামী লীগের প্রায় দেড়শতাধিক নেতাকর্মীর সামনে এমপি ছানোয়ার হোসেনকে পর পর তিনটি থাপ্পড় মারেন। এরপর মন্ত্রী সেখানে রাত্রি যাপন না করে রাত ৯টার দিকে ঢাকার উদ্দেশে যমুনা রিসোর্ট ত্যাগ করেন।

ছানোয়ার হোসেন লাঞ্চিতের এ ঘটনা অস্বীকার করেছেন। তবে তিনি (ওবায়দুল কাদের) না খেয়েই ঢাকা চলে গেছেন বলে জানান ছানোয়ার।


মতামত জানান :

 
 
আরও পড়ুন
 
কপিরাইট © ময়মনসিংহ প্রতিদিন ডটকম - সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত | উন্নয়নে হোস্টপিও.কম