সংবাদ শিরোনাম

 

শেরপুর প্রতিনিধি : আগামী ২৪ ফেব্রুয়ারি শিব চতুর্দশী উদযাপন উপলক্ষে শেরপুরের ক্রিয়াযোগ উপাসনালয়ে ব্যাপক আয়োজন শুরু হয়েছে। ইতোমধ্যে শহরের নয়আনি বাজার পোদ্দার কমপ্লেক্সে এবার স্থাপন করা হয়েছে সাদা পদ্মের উপর ব্ল্যাকস্টোন (প্রাকৃতিক কালো পাথর) দ্বারা নির্মিত শিবলিঙ্গ।

আয়োজকরা আশা করছেন, জেলার বাইরে থেকেও বিপুলসংখ্যক পূণ্যার্থী অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন।

মন্দিরের পূজারি সুদর্শন জানান, ২৪ ফেব্রুয়ারি রাত থেকে ২৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত পূজো হবে। ওই দিন ঢাকা ও চট্রগ্রাম থেকে জয় আচার্য, দ্বিজরাজ আচার্য, মিঠুন আচার্যসহ পাঁচজন পন্ডিত উপস্থিত থাকবেন।

পূজো পাঁচ প্রহরে অনুষ্ঠিত হবে এবং ৬৫ হাজার জপ ও প্রায় ৬ হাজার আহূতি দেয়া হবে।

ক্রিয়াযোগ উপাসনালয়ের পরিচালক শান্তানন্দ ব্রহ্মচারী শিব চতুর্দশীর তাৎপর্য বর্ণনা করে জানান, কৃষ্ণপক্ষের শিব চর্তুদশীর তিথিতে মহা শিবরাত্রি উদযাপন হয়। কারণ কৃষ্ণপক্ষ অন্ধকারময়। সব কুচিন্তা দূরীভূত করতে শুল্ক পক্ষের আগমনে আমাদের জীবন জ্যোর্তিময় হয়ে উঠে। শিব নিরাকার নির্গুণ, জ্যোর্তিময়, যিনি শিবের উপাসনাতে তৎপর তিনি উর্দ্ধলোকে গমন করেন।

অন্যদিকে অহংকার হিংসাযুক্ত মনের অধিকারীরা নিম্নগতি প্রাপ্ত হয়। এখানে প্রতীকস্বরূপ বৃষপ (ষাঁড়) বা নন্দি প্রতিষ্ঠিত আছে। এর জাগতিক অর্থ চর্তুস্পাদ যার এককটির অর্থ সত্য, সৌচ, অহিংসা ও দয়া। এছাড়াও আমাদের দেহের মধ্যে ১৪টি ভুবন আছে। এটিকে চর্তুদশী বলে। পূজোর দিন ওই শক্তি আমাদের দেহে অনুকূল ভাবধারার সৃষ্টি করে।

তিনি বলেন, লিনম থেকে লিঙ্গ শব্দের উৎপত্তি। লিঙ্গ শব্দের অর্থ জ্যোতির রাজ্যে গমন করা।

অন্যদিকে আমাদের দেহের মধ্যে ১৭টি তথ্য আছে। সেগুলো হলো- চক্ষু, কর্ণ, নাশিকা, ত্বক, জ্বিবা, ক্ষিতি, তেজ, মরুৎ, বোম, মন, অপ, অহংকার, বাক, পানী, পাদ, পায়ু, উপস্থ। এই ১৭টি তথ্যে বিলীন হওয়ার বা লিনম হওয়ার নামই লিঙ্গ।

উল্লেখ্য, গত বছর ক্রিয়াযোগ উপাসনালয়ে অষ্টধাতুতে নির্মিত দুর্গা প্রতিমা স্থাপন করা হয়। যা নিত্য পূজা হচ্ছে।


মতামত জানান :

 
 
আরও পড়ুন
 
কপিরাইট © ময়মনসিংহ প্রতিদিন ডটকম - সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত | উন্নয়নে হোস্টপিও.কম