সংবাদ শিরোনাম

 

নিজস্ব প্রতিবেদক, কুমিল্লা : কুমিল্লায় কলেজছাত্রী সোহাগী জাহান তনু হত্যাকাণ্ডের ১১ মাস পেরিয়ে গেলেও ঘাতকরা রয়ে গেছে ধরাছোঁয়ার বাইরে।

দেশব্যাপী আলোচিত এ হত্যাকাণ্ডের পর যত দিন গড়াচ্ছে ততই বিচার না পাওয়ার হতাশা বাড়ছে পরিবারে। হত্যাকাণ্ডের পর বিচার দাবিতে আন্দোলন ছড়িয়ে পড়লেও এখন তা নেই বললেই চলে। তদন্তের অগ্রগতি বা মামলাটি নিয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গেও কোনো কথা বলছেন না তদন্তসংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

কুমিল্লা সেনানিবাসের ভেতরের একটি জঙ্গল থেকে গত বছরের ২০ মার্চ রাতে তনুর লাশ উদ্ধার করা হয়। পরদিন তার বাবা কুমিল্লা ক্যান্টনমেন্ট বোর্ডের অফিস সহায়ক ইয়ার হোসেন বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে কোতোয়ালি মডেল থানায় হত্যা মামলা করেন।

থানা পুলিশ ও ডিবির পর গত বছরের ১ এপ্রিল থেকে মামলাটির তদন্তের দায়িত্ব পায় পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ সিআইডি, কুমিল্লা।

ঘটনার পর পর ঘাতকদের বিচারের দাবিতে বিভিন্ন মহলসহ দেশব্যাপী প্রতিবাদের ঝড় উঠলেও ধীরে ধীরে সবই থেমে গেছে। তনুর লাশের দুই দফা ময়নাতদন্ত, তদন্তকারী সংস্থা বা কর্মকর্তা পরিবর্তন হলেও এ পর্যন্ত আলোর মুখ দেখেনি মামলাটি।

কান্নাজড়িত কণ্ঠে তনুর মা আনোয়ারা বেগম সাংবাদিকদের বলেন, আমরা মেয়ে হত্যার বিচার চেয়ে সিআইডির দ্বারে দ্বারে ঘুরে ক্লান্ত ও হতাশ হয়ে পড়েছি, জানি না বিচার পাব কিনা।

সিআইডির কর্মকর্তারা শুধুই বলছেন, তনু হত্যাকাণ্ডের রহস্য উন্মোচন হবে এবং ঘাতকরা শাস্তি পাবে। কিন্তু এ পর্যন্ত বিচার পাব এমন কোনো পদক্ষেপ তারা দেখাতে পারেননি, এমনকি ঘাতকদের শনাক্তও করতে পারেননি। এখন আল্লাহ ছাড়া আর কার কাছে বিচার চাইব।


মতামত জানান :

 
 
আরও পড়ুন
 
কপিরাইট © ময়মনসিংহ প্রতিদিন ডটকম - সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত | উন্নয়নে হোস্টপিও.কম