সংবাদ শিরোনাম

 

নিজস্ব প্রতিবেদক, ময়মনসিংহ প্রতিদিন ডটকম : গালের একপাশে জাতীয় পতাকা আরেক পাশে অমর একুশে ফেব্রুয়ারির আলপনা। পোশাকে রয়েছে একুশের আবহ।

মঙ্গলবার সকালে বাসা থেকে পরিবারের সবাইকে নিয়ে রাজধানীর খিলগাঁও থেকে রামা সাহা শহীদ মিনারে আসেন। সেখানে শ্রদ্ধা জানানোর পর আসেন বইমেলায়। ছোটদের নিয়ে বাংলা একাডেমি চত্বরে ব্যস্ত রয়েছে ছবি তোলায়। পরিবারের অন্য সদস্যদের কারো গালে রয়েছে শহীদ মিনারের আলপনা, কারো হাতে জাতীয় পতাকা, কারো মাথায় বিভিন্ন রঙের ফুল।

শুধু রমা সাহার পরিবারের নয়, বইমেলায় আসা সবাই সেজেছেন আজ এমন সাজে। বাংলাদেশে অবস্থান করা বিদেশিদেরও দেখা গেছে এমন সাজে।

ভাষা আন্দোলন আর ভাষাশহীদদের স্মরণে বাংলা একাডেমিতে প্রতিবছরই চলে মাসব্যাপী অমর একুশে গ্রন্থমেলা। এদিন সব বয়সি মানুষের পদচারণায় মুখরিত হয়ে উঠেছে বাংলা একাডেমি। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সব রাস্তা মিলিত হয় একদিকে শহীদ মিনারে ও অন্যদিকে মেলায়। শুধু বইয়ের টানেই নয়, ভাষাশহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা ও তাদের স্মরণেই অমর একুশে বইমেলায় প্রতিবছর এই দিনে প্রাণ ফিরে পায়।

শাহবাগ থেকে শুরু করে টিএসসি, দোয়েল চত্বর, শহীদ মিনার এলাকায় নেমেছে মানুষের ঢল। দোয়েল চত্বর হয়ে বইমেলায় ঢুকতে ১ নম্বর গেটে দেখা গেল দীর্ঘ লাইন। সকাল থেকেই এমন চিত্র। আর আজকের এই বিশেষ দিনে রাত পর্যন্ত এমন চিত্র থাকবে বলে মনে করছেন অনেকে।

শহীদদের শ্রদ্ধা জানানোর পর সবাই ছুটছেন বইমেলায়। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বাড়ছে ভিড়। আয়োজকরা মনে করছেন, বিকেলের পর মেলায় লাখো মানুষের উপস্থিতি হবে।
image-21422
রামা সাহা বলেন, আমরা আজ তেমন কোনো বই কিনব না। আজকে শুধু শিশুদের সময় দেব।

বইমেলায় আসা মাহজার বলেন, আবহাওয়া খুবই ভালো। সেই সঙ্গে রয়েছে বসন্ত বাতাস। হালকা রোদ থাকলে ও তা যেন গায়ে তাপ লাগাতে পারছে না। তাই ঘুরতে তেমন ক্লান্তি আসছে না।

এদিকে লোকসমাগম বেশি হওয়া ফুল ও খোঁপায় পরা ফুল ব্যবসায়ীদের ব্যস্ত সময় কাটছে। বেশির ভাগ নারী শাহবাগ ও দোয়েল চত্বর থেকে প্রবেশের সময় ফুলের বেণি কিনে মাথায় পরছেন। পরার পরে সেলফি ও ছবি তুলছেন। গত ২০ দিনে যারা এখনো বইমেলায় আসেননি তাদের অনেকেই ভিড় করছেন মেলায়। বইপ্রেমীরা আসছেন এবং কিনছেন তাদের প্রিয় লেখকের বই।


মতামত জানান :

 
 
আরও পড়ুন
 
কপিরাইট © ময়মনসিংহ প্রতিদিন ডটকম - সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত | উন্নয়নে হোস্টপিও.কম