সংবাদ শিরোনাম

 

নিজস্ব প্রতিবেদক : বিশ্বে তৈরি পোশাক রপ্তানিতে শুল্কমুক্ত ও কোটামুক্ত প্রবেশাধিকার বিস্তৃত করার প্রচেষ্টা অব্যাহত রেখেছে সরকার। ইতোমধ্যে ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশগুলোসহ বেশ কিছু দেশ পোশাক রপ্তানিতে বাংলাদেশকে শুল্কমুক্ত সুবিধা দিয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

বুধবার (২২ ফেব্রুয়ারি) দশম জাতীয় সংসদের ১৪তম অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রীর জন্য নির্ধারিত প্রশ্নোত্তর পর্বে আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্য এম আবদুল লতিফের এক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী সংসদে একথা জানান।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, রপ্তানি বাণিজ্যের গুণগত পরির্বতন ও বিশ্ববাজারে প্রতিযোগিতামূলক অবস্থান নিশ্চিত করতে রপ্তানি নীতি ২০১৫-২০১৮ প্রণয়ন করা হয়েছে। রপ্তানিবান্ধব নীতি ও সফল বাণিজ্যিক অর্থনীতির কারণে বিভিন্ন দেশ বাংলাদেশকে শুল্কমুক্ত, কোটামুক্ত প্রবেশাধিকার দিচ্ছে এবং সুবিধা বিস্তৃত করার প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।

তিনি বলেন, বর্তমানে ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশ, কানাডা, অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড, জাপান, সুইজারল্যান্ড, নরওয়ে, চীন, ভারত প্রভৃতি দেশ তৈরি পোশাক রপ্তানিতে বাংলাদেশকে শুল্কমুক্ত সুবিধা দিচ্ছে।

সংরক্ষিত আসনের সংসদ সদস্য বেগম আখতার জাহানের অপর এক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, একটি বাড়ি একটি খামার আমার নিজস্ব চিন্তাপ্রসূত একটি দারিদ্র্য বিমোচন মডেল। এটি ক্ষুদ্রঋণের পরিবর্তে ক্ষুদ্র সঞ্চয় প্রতিষ্ঠিত করেছে।

তিনি বলেন, ২০২১  সালের মধ্যে দেশকে ক্ষুদ্র ও দারিদ্র্যমুক্ত মধ্যম আয়ের দেশে উন্নীত করার লক্ষ্যে দারিদ্র্যসীমার নিচে অবশিষ্ট ১ কোটি ৮০ লাখ লোককে সম্পৃক্ত করে ৩ কোটি মানুষের জন্য ২০১৬ সালের ২৫ অক্টোবর একনেক সভায় ৮ হাজার ১০ কোটি টাকা ব্যয়ে একটি বাড়ি একটি খামার প্রকল্পের কার্যক্রম ২০২০ সালের জুন পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। আমাদের লক্ষ্য স্থায়ীভাবে দারিদ্র্যমুক্তির মাধ্যমে একটি ক্ষুধামুক্ত মধ্যম আয়ের বাংলাদেশ বিনির্মাণ করা। দেশের একটি লোকও ভিক্ষা করবে না, না খেয়ে থাকবে না। যাতে নিজের পায়ে দাঁড়িয়ে স্বাবলম্বী হয়ে উঠতে পারে সেটিই বর্তমান আওয়ামী লীগ সরকারের লক্ষ্য।


মতামত জানান :

 
 
আরও পড়ুন
 
কপিরাইট © ময়মনসিংহ প্রতিদিন ডটকম - সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত | উন্নয়নে হোস্টপিও.কম