সংবাদ শিরোনাম

 

নিজস্ব প্রতিবেদক : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার স্থগিত ভারত হচ্ছে আগামী এপ্রিলে। নিশ্চিত করেছেন প্রধানমন্ত্রীর উপ প্রেসসচিব এম নজরুল ইসলাম। ভারতের পররাষ্ট্র সচিব এস জয়শঙ্কর জাতীয় সংসদে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে দেখা করে আসার পর এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন তিনি।

গত ডিসেম্বরেই প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফরে যাওয়ার কথা ছিল। কিন্তু শেষ মুহূর্তে হঠাৎ আটকে যায় সে সফর। সে সময় ফেব্রুয়ারিতে এই সফর হওয়ার কথা শোনা যায়। কিন্তু সেটিও সত্য হয়নি।

তবে বৃহস্পতিবার প্রথানমন্ত্রীর উপপ্রেস সচিব সাংবাদিকদেরকে প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফরের সময় নির্দিষ্ট করেন। বলেন, ‘এপ্রিলের প্রথমার্ধ্বে প্রধানমন্ত্র্রী ভারত সফরে যাচ্ছেন।’

নরেন্দ্র মোদী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে ২০১৫ সালে বাংলাদেশে প্রথম সফরের পর শেখ হাসিনাকেও দ্বিপক্ষীয় সফরে আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন। কিন্তু সেই সফর আর হয়নি।

সবশেষ গত ১৪ জানুয়ারি পররাষ্ট্রমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলীর সংবাদ সম্মেলনে বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন করেছিলেন সাংবাদিকরা। তবে সেদিনও তিনি সুনির্দিষ্ট করে কিছু বলতে পারেননি। তিনি বলেন, ‘এটি একটি স্পর্শকাতর বিষয়। এটা নিয়ে এই ফোরামে বলা ঠিক হবে না।’
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গত ১৬ অক্টোবর সব শেষ ভারত সফরে গিয়েছিলেন। তবে সেটি দ্বিপাক্ষিক সফর ছিল না। ব্রিকস-বিমসটেক আউটরিচ সামিটে যোগ দিতে সে সময় দেশটিতে গিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী। সে সময় ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে তার দেখাও হয়েছিল। তবে এটি দিপাক্ষিক সফর ছিল না বলে দুই পক্ষে তেমন কোনো আলোচনা বা চুক্তি হয়নি।
বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফর বরাবরই এক আলোচনার বিষয়। প্রতিবার দুই পক্ষের মধ্যে অমীমাংসিত নানা ইস্যুর সমাধানের বিষয়ে আশার সঞ্চার হয়। এবারও প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফরে মনযোগের কেন্দ্রে থাকবে তিস্তা চুক্তি প্রসঙ্গ।
২০১১ সালে ভারতের প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং এর ঢাকা সফরেই তিস্তা চুক্তি হওয়ার কথা ছিল। তবে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জির আপত্তিতে শেষ মুহূর্তে আটকে যায় এই চুক্তি।


মতামত জানান :

 
 
আরও পড়ুন
 
কপিরাইট © ময়মনসিংহ প্রতিদিন ডটকম - সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত | উন্নয়নে হোস্টপিও.কম