সংবাদ শিরোনাম

 

নিজস্ব প্রতিবেদক : পরিবহন শ্রমিকদের কর্মবিরতির কারণে ঊর্ধ্বমুখী সবরি বাজার এখন অনকেটা স্থিতিশীল। একই অবস্থা বিজার করছে মাছের বাজারে। তরে মাংস ব্যবসায়ীদের ধর্মঘটের জেরে এখনো বাড়তি মাংসের দাম।

শনিবার (০৪ মার্চ) রাজধানীর মোহাম্মাদপুর কৃষি মার্কেট, কারওয়ান বাজার, হাতিরপুল বাজারসহ কয়েকটি বাজার ঘুরে মিলেছে এমন তথ্য।

দু’দিনের ব্যবধানে রাজধানীর সবজির বাজারে কেজি প্রতি ৫ থেকে ১০ টাকা করেছে। আবার স্বাভাবিক হয়েছে সবজির দাম।

এ বিষয়ে মোহাম্মাদপুর কৃষি মার্কেটের সবজি ব্যবসায়ী রাসেদ (৩৭) বলেন, পরিবহন শ্রমিকদের কর্মবিরতিতে ২ দিন গাড়ি না আসতে পারায় বাজারে দামের হঠাৎ পরিবর্তন দেখা দিয়েছিল। যদি ধর্মঘট আরও কয়েক দিন থাকতো তাহলে সবজির দাম ব্যাপক পরিবর্তন দেখা দিত। তবে এখন বাজার স্বাভাবিক।

বাজারে প্রতিকেজি কাঁচা মরিচ ৪২ টাকা, সাদা বেগুন বিক্রি হচ্ছে ৪০ টাকা, কালো বেগুন ৩০ থেকে ৩৫ টাকায়, শিম প্রতি কেজি শিম ৩০-৩২ টাকা। এছাড়া প্রতি কেজি ঝিঙ্গা ৬৫ টাকা, করলা ৪০ টাকা, শশা ৪০ টাকা, আলু ১৮ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

প্রতি কেজি চিচিঙ্গা ৬৫ টাকা, কাকরোল ৪০ টাকা, কচু এবং পেঁপে ২৫ টাকা থেকে ৩০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

মোহাম্মাদপুর টাউন হল বাজারে বাজার করতে আসা সোহাগ বলেন, দুই দিন আগেও সবজির দাম একটু বেশি ছিল, আজ অনেকটায় স্বাভাবিক।

এদিকে রাজধানীর বাজারগুলোতে গরুর মাংসের দামের ঊর্ধ্বগতি লক্ষ্য করা গেছে, তবে কমেছে মুরগির দাম।

প্রতি কেজি ব্রয়লার মুরগি বিক্রি হচ্ছে ১৬০ থেকে কমে ১৫০ টাকায়। এছাড়া দেশি মুরগি প্রতি কেজি ৩৮০ টাকা এবং পাকিস্তানি লাল মুরগি কেজি প্রতি ২৮০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। যা গড়ে ২০-৩০ টাকা কমেছে।

তবে মাংস ব্যবসায়ীদের ধর্মঘটের জেরে মাংসের বাজারে এসেছে পরিবর্তন, মাংসের দাম ৫০-৬০ টাকা কেজিতে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪৮০ থেকে ৫০০ টাকা। যা মাংস ব্যবসায়ীদের ধর্মঘটের আগে ছিল ৪২০ থেকে ৪৩০ টাকা। অন্যদিকে খাসির মাংসের দাম ৫০-৭০ টাকা বেড়ে ৮০০ টাকা হয়েছে। যা মাংস ব্যবসায়ীদের ধর্মঘটের আগে দাম ছিল ৭২০-৭৩০ টাকা।

মাংসের দামের বৃদ্ধির সম্পর্কে কারওয়ান বাজারের মাংস ব্যবসায়ী খালেক বলেন, গরু মাংসের দাম আরও বৃদ্ধি পেতে পারে, কেজি প্রতি ৫৫০ টাকা, এমন কি ৬০০ টাকাও হতে পারে।

মাংসের দাম বাড়লেও মাছের বাজার স্বাভাবিক রয়েছে, আকার ভেদে প্রতি কেজি রুই মাছ ২২০ টাকা থেকে ৩২০ টাকা, সিলভার কার্প ১৭০ টাকা থেকে ২০০ টাকা, কাতলা ৩৫০ টাকা থেকে ৩৮০ টাকা, তেলাপিয়া ১৩০ টাকা ১৭০ টাকা, সরপুঁটি ২৮০ টাকা থেকে ৩৫০ টাকা, চাষের কৈ ২০০ টাকা থেকে ২৫০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

এছাড়া টেংরা ৫৫০ টাকা, মাগুর ৬০০ টাকা থেকে ৭৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, চিংড়ি বিক্রি হচ্ছে ৪৫০ টাকা থেকে ৬৫০ টাকায়, আর ইলিশ কেজি প্রতি (মাঝারি) ৭৫০ টাকা এবং বড় প্রতিটি ইলিশ বিক্রি হচ্ছে ১৬০০ টাকা থেকে ১৮০০ টাকা।

মুদি পণ্যের বাজার ঘুরে দেখা গেছে, একটু বাড়তি দামেই বিক্রি হচ্ছে মুদি পণ্য। কেজি প্রতি দেশি মসুর ডাল (দেশি) ১২৫ টাকা, ভারতীয় মসুর ডাল ৯০ টাকা, মুগ ডাল (দেশি) ১০৫ টাকা, ভারতীয় মুগ ডাল ৯০ টাকা, মাসকলাই ১২৫ টাকা এবং ছোলা ৯৫ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

প্রতি লিটার ভোজ্য তেল ১০০ থেকে ১১৫ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। আর ৫ লিটারের বোতল ব্র্যান্ড ভেদে ৫০০ থেকে ৫১৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

এদিকে চালের বাজারে তেমন কোনো পরিবর্তন দেখা যায়নি। প্রতি কেজি স্বর্ণা চাল ৪২ টাকা, মিনিকেট ভালো ৫০-৫৩ টাকা, মিনিকেট নরমাল ৪৬ টাকা, পারিজা চাল ৪০-৪২ টাকা, হাস্কি নাজির চাল ৪২ টাকা এবং পোলাও চাল ১১০ (পুরাতন), নতুন ৭৫ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।


মতামত জানান :

 
 
আরও পড়ুন
 
কপিরাইট © ময়মনসিংহ প্রতিদিন ডটকম - সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত | উন্নয়নে হোস্টপিও.কম