সংবাদ শিরোনাম

 

নিজস্ব প্রতবিদেক : পনের’শ জিবিপিএসের শক্তিশালী দ্বিতীয় সাবমেরিন কেবল নেটওয়ার্কের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে বাংলাদেশ। চলতি মাসের মাঝামাঝি সময়ে প্রধানমন্ত্রী উদ্বোধনের পর এটি বাণিজ্যিকভাবে ব্যবহারের জন্য উন্মুক্ত করে দেয়া হবে।

দুটি সাবমেরিন কেবল থেকে পাওয়া জিবিপিএস ব্যবহারে বর্তমানে বাংলাদেশের সক্ষমতা না বাড়লেও প্রকল্পের সঙ্গে জড়িতরা বলছেন, শিগগিরই মিয়ানমার, ভুটান এবং ভারতের বেশ কয়েকটি রাজ্যে ব্যান্ডউইথ রফতানির পরিকল্পনা করছে সরকার।

সমুদ্রের তলদেশ দিয়ে চলে যাবে শক্তিশালী কেবল। যার ফলে স্যাটেলাইটের ওপর নির্ভরতা কমিয়ে কম খরচ এবং অধিক নিরাপত্তার নিশ্চয়তা দিয়ে বিভিন্ন দেশকে সংযুক্ত করে সাবমেরিন কেবল নেটওয়ার্ক।

২০০৫ সালে প্রথমবারের মতো সাবমেরিন কেবল নেটওয়ার্কে যুক্ত হওয়া বাংলাদেশের বর্তমানে ব্যান্ডউউথ সক্ষমতা রয়েছে প্রায় ৪০০ জিবিপিএস। নতুন করে যুক্ত হওয়া দ্বিতীয় সাবমেরিন কেবল থেকে পাওয়া যাবে আরো ১৫শ জিবিপিএস। এর ল্যান্ডিং স্টেশন করা হয়েছে সাগরকন্যা কুয়াকাটায়।

এরই মধ্যে ঢাকার সঙ্গে ট্রান্সমিশন লিংক স্থাপনের কাজ শেষ হয়েছে। এর ফলে কোনো দুর্ঘটনায় কক্সবাজারের প্রথম কেবলটি বিচ্ছিন্ন হয়ে গেলেও বিকল্প ব্যবস্থা থাকায় আর ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট যোগাযোগ থেকে বিচ্ছিন্ন হবে না বাংলাদেশ। এছাড়া দক্ষিণের জেলাগুলোসহ সারাদেশে কম মূল্যের ইন্টারনেট সেবা দেয়াও সুগম হবে।

নতুন সংযোগে বাংলাদেশসহ ১৭টি দেশের ১৯টি প্রতিষ্ঠান সংযুক্ত হয়েছে। এর কার্যকাল ধরা হয়েছে ২০ থেকে ২৫ বছর। তবে, আগের ৪শ জিবিপিএসের মধ্যে এখনো যেখানে প্রায় ১শ জিবিপিএস অব্যবহৃত রয়েছে, সেখানে নতুন করে ১৫শ জিবিপিএস নিশ্চিত হওয়ায় বিদেশে রফতানির কথা ভাবছে সরকার।

প্রকল্প ব্যয় ধরা হয়েছে ৬ শ ৬০ কোটি টাকা। এর মধ্যে প্রায় ২শ কোটি টাকা সরকার এবং বিএসসিসিএলের। বাকী টাকা ঋণ নেয়া হয়েছে বিভিন্ন দাতা সংস্থার কাছ থেকে।


মতামত জানান :

 
 
আরও পড়ুন
 
কপিরাইট © ময়মনসিংহ প্রতিদিন ডটকম - সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত | উন্নয়নে হোস্টপিও.কম