সংবাদ শিরোনাম

 

নিজস্ব প্রতিবেদক, সিলেট : সিলেটের কলেজছাত্রী খাদিজা বেগম নার্গিসকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যাচেষ্টার মামলার রায় আগামী ৮ মার্চ বুধবার ঘোষণা করা হবে।

সিলেট মহানগর দায়রা জজ আকবর হোসেন মৃধার আদালত রবিবার রায়ের এ তারিখ ধার্য করেছ। এই মামলার একমাত্র আসামি বদরুল আলম।

গত ১ মার্চ সিলেট মুখ্য মহানগর হাকিম সাইফুজ্জামান হিরোর আদালত থেকে মামলাটি মহানগর দায়রা জজ আদালতে স্থানান্তর করা হয়। ওই আদালতে আসামির সর্বোচ্চ শাস্তি প্রদানে সীমাবদ্ধতা থাকায় দায়রা জজ আদালতে মামলাটি স্থানান্তর করা হয়।
গত বছরের ৩ অক্টোবর এমসি কলেজের পুকুরপাড়ে সিলেট সরকারি মহিলা কলেজের স্নাতক দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী খাদিজা বেগম নার্গিসকে চাপাতি দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর আহত করেন শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের  ছাত্র ও শাবি ছাত্রলীগের সহ-সম্পাদক বদরুল আলম। ঘটনার পরপরই শিক্ষার্থীরা বদরুলকে আটক করে পুলিশের হাতে তুলে দেন।

গুরুতর আহত খাদিজাকে প্রথমে সিলেট পরে ঢাকার স্কয়ার হাসপাতালে দীর্ঘদিন চিকিৎসা দেয়ায়। জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে থাকলেও শেষ পর্যন্ত বেঁচে যান খাদিজা। তার চিকিৎসার যাবতীয় ব্যয়ভার সরকার বহন করে। স্কয়ার হাসপাতাল থেকে ছাড়া পাওয়ার পর দীর্ঘদিন খাদিজাকে চিকিৎসা দেয়া হয় সাভারের সিআরপিতে। সম্প্রতি পুরোপুরি সুস্থ হয়ে খাদিজা সিলেটে যান।

এ ঘটনায় খাদিজার চাচা আবদুল কুদ্দুস বাদী হয়ে বদরুলকে একমাত্র আসামি করে মামলা দায়ের করেন। গত ৫ অক্টোবর বদরুল আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। পরে তাকে কারাগারে পাঠায় আদালত।

গত বছরের ৮ নভেম্বর খাদিজা হত্যাচেষ্টা মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সিলেট নগরীর শাহপরান থানার এসআই হারুনুর রশীদ আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন। পরে ১৫ নভেম্বর আদালত চার্জশিট গ্রহণ করেন। গত ২৯ নভেম্বর আদালত বদরুলের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর নির্দেশ দেন।
গত ৫ ডিসেম্বর সাক্ষ্য গ্রহণের প্রথম দিন বদরুল আলমের বিরুদ্ধে আদালতে ১৭ জন সাক্ষ্য প্রদান করেন। পরে ১১ ডিসেম্বর ১৫ জন এবং ১৫ ডিসেম্বর সাক্ষ্য দেন আরও একজন। গত ২৬ ফেব্রুয়ারি আদালতে সাক্ষ্য দেন খাদিজা। মামলায় ৩৭ সাক্ষীর মধ্যে ৩৪ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়।


মতামত জানান :

 
 
আরও পড়ুন
 
কপিরাইট © ময়মনসিংহ প্রতিদিন ডটকম - সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত | উন্নয়নে হোস্টপিও.কম