সংবাদ শিরোনাম

 

নিজস্ব প্রতিবেদক : সরকারিভাবে গৃহিত নীতিমালা ছাড়াও প্রত্যেক পত্রিকা অফিসের নিজস্ব নীতিমালা থাকতে হবে বলে জানিয়েছেন তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু।

রোববার জাতীয় প্রেসক্লাবের ভিআইপি লাউঞ্জে আন্তর্জাতিক নারী দিবস উপলক্ষে ‘নারী-পুরুষের বৈষম্যহীন গণমাধ্যম চাই’ শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

প্রতিষ্ঠানের মালিকদের উদ্দেশে তথ্যমন্ত্রী বলেন, নারী ও পুরুষ সাংবাদিকদের মধ্যে বৈষম্য দূর করতে হবে। আর তা দূর করতে হলে সবার আগে এগিয়ে আসতে হবে সাংবাদিকদেরই। এছাড়া সংবাদ পত্রিকার মালিকদেরও অনেক বড় ভূমিকা রয়েছে। আপনারা নিজস্ব নীতিমালা তৈরি করুন, যৌন হয়রানিবিষয়ক কমিটি করুন, নারীর যাতায়াতের নিরাপত্তার জন্য গাড়ির ব্যবস্থা করুন।

তিনি বলেন, প্রতিটি পত্রিকা অফিসে সাংবাদিকদের কোন নীতি মেনে চাকরিতে যোগদান করানো হচ্ছে, কোন স্কেলে বেতন দেওয়া হচ্ছে, কোন ক্ষমতাবলে ও কী কারণে চাকরিচ্যুত করা হচ্ছে তার সুনির্দিষ্ট ও স্পষ্ট নীতিমালা থাকতে হবে। সাংবাদিক ইউনিয়নগুলোর উচিত কোন কোন অফিস ওইসব নীতিমালা অনুসরণ করছে তা দেখভাল করা। প্রতি বছরই সেটা দেখভাল করে তথ্য মন্ত্রণালয়কে রিপোর্ট করা। এসব নিয়ম পালন ছাড়া কোনো ক্ষেত্রেই দেশে টেকসই উন্নয়ন হবে না।

নারীবান্ধব কর্মক্ষেত্র তৈরির আইনের বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, গণমাধ্যমে যেন এক-তৃতীয়াংশ নারী কাজের সুযোগ পায় সে বিষয়ে অনেক আগে থেকেই আমরা বলে আসছি। কিন্তু এখন পর্যন্ত কোনো অফিসই সেটা মানছে না। আবার নারীর প্রতি সহিংসতা রোধেও একটি কমিটি করার কথা এবং প্রতিটি অফিসে শিশু যত্নকেন্দ্র করার কথা থাকলেও সেটা কেউ করছেন না বলেই আমরা জানি। ফলে নারীবান্ধব কর্মক্ষেত্র আইন থাকলেও সেটা যদি কেউ বাস্তবায়ন না করে তাহলে কোনো ফলই আসবে না, নারীরা কাজ করতেও আসবে না।

অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন সাংবাদিক শাহনাজ মুন্নী। সভাপতিত্ত্ব করেন জাতীয় প্রেসক্লাবের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি সাইফুল আলম।

ভোরের কাগজের সম্পাদক শ্যামল দত্তের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত এতে আরো বক্তব্য রাখেন নারী সাংবাদিক কেন্দ্রের সভাপতি নাসিমুন আরা হক মিনু, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের অধ্যাপক গীতি আরা নাসরিন, জাতীয় প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ফরিদা ইয়াসমিন প্রমুখ।


মতামত জানান :

 
 
আরও পড়ুন
 
কপিরাইট © ময়মনসিংহ প্রতিদিন ডটকম - সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত | উন্নয়নে হোস্টপিও.কম