সংবাদ শিরোনাম

 

নিজস্ব প্রতিবেদক : উন্নয়নের জন্য প্রতিটি জেলা পরিষদকে দেড় কোটি টাকা করে বরাদ্দ দেয়ার গোষণা দিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী খন্দকার মোশাররফ হোসেন। সব মিলিয়ে এই বরাদ্দ প্রায় একশ কোটি টাকা।

বুধবার রাজধানীর কাকরাইলে জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর মিলনায়তনে জেলা পরিষদের নব-নির্বাচিত চেয়ারম্যানদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় এ ঘোষণা দেন মন্ত্রী। তিনি বলেন, নতুন এই বরাদ্দ থেকে চেয়ারম্যানরা তাদের নিজ এলাকায় উন্নয়নমূলক কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারবেন।

আওয়ামী লীগ সরকার স্থানীয় সরকার ব্যবস্থার মধ্যে জেলা পরিষদকে অন্যতম সংস্থায় রূপান্তরিত করেছে। জনপ্রতিনিধিদের ভোটে নির্বাচিত হওয়ার বিধান রাখা হয়েছে। গত ২৮ ডিসেম্বর জেলা পরিষদের প্রথম নির্বাচন হয় ৫৯ জেলায়। তিন পার্বত্য জেলায় এই পরিষদ নেই। আর কুষ্টিয়া ও বগুড়া জেলায় নির্বাচন হয়নি আইনি জটিলতায়। গত ১১ জানুয়ারি জেলা পরিষদের চেয়ারম্যানদের শপথ পড়ান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

শপথ নেয়ার পর প্রথমবারের মতো স্থানীয় সরকার মন্ত্রীর সঙ্গে মতবিনিময়ে বসেন সারাদেশ থেকে আসা চেয়ারম্যানরা। তারা স্থানীয় উন্নয়নে বরাদ্দ বাড়ানোর তাগিদ দেন।

অনুষ্ঠানে মুন্সীগঞ্জ জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মো. মহিউদ্দিন বলেন, একটি জেলার উন্নয়ন করতে প্রথম প্রয়োজন টাকা। আর এটা ছাড়া কখনো একটি জেলার উন্নয়ন সম্ভব নয়। তিনি বলেন, ‘ভূমি অফিস থেকে যে আয় হয়, সেটাই জেলা পরিষদের আয়। কিন্তু সেখানে তাদের দেওয়া হচ্ছে মাত্র এক শতাংশ। কিন্তু এটা দিয়ে একটি জেলার উন্নয়ন কখনো সম্ভব নয়।’

পরে উন্নত দেশের স্বপ্ন পুরণে জেলা পরিষদের গুরুত্ব অনেক উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, ‘জেলা পরিষদকে সয়ংসম্পূর্ণ হতে যা যা করণীয় সেভাবেই কাজ করে যেতে হবে।’

নবনির্বাচিত চেয়ারম্যানদেরকে মোশাররফ হোসেন বলেন, ‘সারাদেশের উন্নয়ন করতে হবে। সার্বিক উন্নয়ন না করা গেলে কোনো উন্নয়নই সফলতা বয়ে আনবে না।’ তিনি বলেন, ‘আপনারা কাজে লেগে যান, আমরা আপনাদের সঙ্গে আছি। সময়েই আপনাদের অবস্থান করবে। সরকার আপনাদের সঙ্গে আছে।’

মোশাররফ হোসেন বলেন, ‘জেলা পরিষদে আগে যারা ছিল, তাদের নিয়োগ দেয়া হতো। জনগণের প্রতি তাদের কোন কমিটমেন্ট ছিলনা। কিন্তু আপনার নির্বাচিত, জনগণের সার্বিক দিক আপনাদের দেখতে হবে। আপনারা যেখানে বাধার সম্মুখীন হবেন, সেগুলো পয়েন্টআউট করে যান।’

জেলা পরিষদকে স্থানীয় সরকারের সর্বোচ্চ পর্যায়ে রূপান্তরিত করা হবে বলেও জানান স্থানীয় সরকারমন্ত্রী।

মন্ত্রী বলেন, শেখ হাসিনা গণতন্ত্রকে প্রত্যেক ঘরে ঘরে নিয়ে গেছেন, দলীয় প্রতীকে নির্বাচন দিয়ে। এটা নিয়েও তারা (বিএনপি) অনেক কথা বলেন। তবে মুক্ত গণতন্ত্রের প্রতীক আজ শেখ হাসিনা। তার কারণেই আজ বাংলাদেশে দারিদ্র্যসীমার নিচে থাকা মানুষের সংখ্যা অনেক উন্নত দেশের চেয়ে কম।


মতামত জানান :

 
 
আরও পড়ুন
 
কপিরাইট © ময়মনসিংহ প্রতিদিন ডটকম - সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত | উন্নয়নে হোস্টপিও.কম