সংবাদ শিরোনাম

 

নিজস্ব প্রতিবেদক : আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন সংবিধান অনুযায়ী অনুষ্ঠিত হবে জানিয়ে মোহাম্মদ নাসিম বলেছেন, সংবিধানের বাইরে কোনো অবস্থাতেই নির্বাচন হবে না। নির্বাচন বর্তমান সরকারের অধীনেই হবে। আগামী বছরের ডিসেম্বর মাসে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। ডিসেম্বর বিজয়ের মাস, সেই বিজয়ের মাসে প্রগতিশীল, স্বাধীনতার পক্ষের দল আওয়ামী লীগই জয় হবে।

তিনি বলেন, ‘বিজয়ের মাসে জঙ্গি লালন-পালনকারী, দেশবিরোধী শক্তি খালেদা জিয়ার দল কখনোই জয়ী হবে না। খালেদা জিয়া জামায়াত, জঙ্গি-সন্ত্রাসীদের নিয়ে আছেন। জঙ্গি-সন্ত্রাসী আর জামায়াত লালন-পালনকারীদের সঙ্গে কোনো অবস্থাতেই আওয়ামী লীগ তথা ১৪ দল সংলাপে বসবে না।’

আজ মঙ্গলবার রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইন্সটিটিউশনে বাংলাদেশের সাম্যবাদী দলের (এমএল) প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

দলটির সাধারণ সম্পাদক দিলীপ বড়–য়ার সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু, বেসামরিক বিমান পরিবহণ ও পর্যটন মন্ত্রী ও ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেনন, জাসদের একাংশের সভাপতি শরিফ নুরুল আম্বিয়া। বক্তব্য রাখেন, কমরেড লুৎফুর রহমান, দীরেন সেন প্রমুখ।

হাসানুল হক ইনু বলেন, ‘অধিকার প্রতিষ্ঠায় সবচেয়ে শক্তিশালী হাতিয়ার হচ্ছে সমাজতন্ত্রও। আমরা সমাজতন্ত্রের পক্ষে। সমাজতন্ত্রের বিপক্ষে শাসক ও শোষণকারীরা। সমাজতন্ত্র ছাড়া জীবন চলে না। সংবিধানে ৪ নীতির মধ্যে সমাজতন্ত্র একটি। ৭৫-এর পর সংবিধান থেকে সমাজতন্ত্র নীতিটি কেটে ফেলা হয়। এখন সংবিধানে সমাজতন্ত্রসহ ৪ নীতি রয়েছে। আমি বলব, প্রধানমন্ত্রী আপনি সংবিধানের পাতা থেকে সমাজতন্ত্রকে জীবনের পাতায় আনেন। মুক্তিযোদ্ধাদের ৪ নীতির মধ্যে সমাজতন্ত্রী নীতিটি অন্যতম।’

তিনি বলেন, ‘দেশ থেকে যে করেই হোক তেতুল হুজুর, জঙ্গি-সন্ত্রাসী, জামায়াত ও তাদের পোষণকারীদের চিরতরে উচ্ছেদ করতে হবে।’

রাশেদ খান মেনন বলেন, ‘দেশে উন্নয়ন হচ্ছে, পদ্মাসেতু হচ্ছে, মেট্রোরেল হচ্ছে। উন্নয়নের পাশাপাশি দারিদ্রের হার কমছে। ২০২১ সালের মধ্যে মধ্যম আয়ের দেশ এবং ২০৪১ সালে আধুনিক একটি দেশ হবে বাংলাদেশ। কিন্তু আমি বলতে চাই, এসব উন্নয়ন কার জন্য। বাংলাদেশে ৩ কোটি মানুষ এখনও দরিদ্র। অনেক মানুষ হতদরিদ্র। শুধু উন্নয়ন নয়, জঙ্গি-সন্ত্রাসবাদ, জামায়াত-শিবিরকে উৎখাত করতে না পারলে, তাদের সঙ্গে লড়াইয়ে জয়ী হতে না পারলে সামনে আরও কঠিন সময় আসবে।’

মেনন বলেন, যুদ্ধাপরাধীদের বিচার ও ফাঁসি দিতে পেরেছি এমন ভেবে যদি ভাবি যুদ্ধে জয়ী হয়ে গেছি তা ভুল হবে। যুদ্ধাপরাধী, জামায়াত-শিবির, তাদের আশ্রয়-প্রশ্রয়কারী বিএনপি সন্ত্রাসীদের নির্মূল করতে হবে। তারা, তাদের রাজনৈতিক দল যদি কোনো অবস্থায় ক্ষমতায় আসতে পারে তাহলে ৩০ লাখ মানুষ হত্যার শিকার হবে। দেশে প্রগতিশীল মুক্তমনা মানুষদের খুন করা হবে।

সভাপতির বক্তৃতায় দিলীপ বড়–য়া বলেন, রাজনৈতিক আলোচনা করতে গেলে সমাজতন্ত্র দলগুলোকে ডাকতে হবে। এখন দলীয় প্রতীকে নির্বাচন হয়। মার্কা ছাড়া অনেক বড় বড় দল নির্বাচনে হারবে। আমরা ১৪ দলের সঙ্গে আছি, থাকবো।


মতামত জানান :

 
 
আরও পড়ুন
 
কপিরাইট © ময়মনসিংহ প্রতিদিন ডটকম - সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত | উন্নয়নে হোস্টপিও.কম