সংবাদ শিরোনাম

 

স্টাফ রিপোর্টার, ময়মনসিংহ প্রতিদিন ডটকম : এবার কার্তিক ঝলসে উঠেছিল। রাতে নিলাভ বাতিতে কার্তিককে মনে হয়েছিল মা শ্র্যামা যেনো ময়মনসিংহ শহরের শাখারীপট্টিতে তার সকল আভরণ উজার করে ঢেলে দিয়েছিলেন।
বলছিলাম, সদ্য শেষ হয়ে যাওয়া শ্যামা পূজার বণার্ঢ্য উৎসবের কথা। ব্যয়বহুল ও আড়ন্বরপূর্ন শারদীয় দুর্গোৎসব শেষ হবার পরপরই শ্রী শ্রী শ্যামাপূজার ধর্মীয় উৎসব শুরু হয়। এবারও শ্যামাপূজার আনন্দবোধ জাগ্রত রেখেছিল পুরো ময়মনসিংহ শহরকে। শাখারীপট্টি পুজোর মন্ডপের বণার্ঢ্য শ্যামাপূজা উপভোগ করেছেন হিন্দু সম্প্রদায়।

উৎসুক হিন্দু সম্প্রদায়সহ বিভিন্ন ধর্মালবলম্বীরা আগ্রহ ভরে বারবারই এ মন্ডপ দেখতে এসেছিল। বিকাল থেকে মধ্যরাত অবধি উৎসুক জনতার ঢল নেমেছিল শাখারীপট্টি নন্দ স্মৃতি ও পারিজাত সংঘের সামগ্রিক আয়োজনে শাখারী পট্টির আনন্দ্য সুন্দর শৃংখল পরিবেষ্টিত পূজা মন্ডপপট্টিতে। নন্দ স্মৃতি ও পারিজাত সংঘের ২২তম শ্যামা পূজা উৎসব ছিল এটি। প্রতিবছরই এ মন্ডপে শ্যামাপূজার রাতে অনুষ্ঠিত হয় জাঁকালো ভাবে। এবার সব ছাড়িয়ে শাখারীপট্টির শ্রী শ্রী শ্যামাপূজা আরও বহুধাপ এগিয়ে দখল করে নিয়েছে দর্শনার্থীদের হৃদয়ে।

দশনার্থীরা জানান, ঘুরে ঘুরে শুধু এ পূজা মন্ডপে আসতে ইচ্ছা করে আনন্দ ভাগ করে নিতে।

শাখারীপট্টিতে তাক লাগানো এ শ্যামাপূজার সার্বিক সহযোগিতায় ছিলেন ময়মনসিংহ মহানগর আওয়ামীগের সাধারণ সম্পাদক মোহিত উর রহমান শান্ত। প্রধান উপদেষ্টা ছিলেন ময়মনসিংহ জিলা মটর মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক সরকার ও ৮নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি বিকাশ সরকার। নন্দ স্মৃতি ও পারিজাত পূজা কমিটির সভাপতি পবিত্র রঞ্জন, সম্পাদক সুব্রত কুমার চন্দ সুমন সহ নন্দ স্মৃতি ও পারিজাত সংঘের এক ঝাঁক তরুন ধর্মপাণ যুবশক্তি।

পূজা মন্ডপের গেইট ও প্যান্ডেল আকর্ষণীয় করে তুলে সাজিয়েছেন বাবু ডোকোরেটর। বগুরা থেকে আনা হয়েছে আলোক সজ্জাকর। চমৎকার নান্দনিক প্রতিমা তৈরী করেছেন ময়মনসিংহের মৃৎ শিল্পী পাপন ঘোষ। সুন্দর মনোমুগ্ধকর আকর্ষণীয় শ্যামা পূজা উদযাপনে সার্বিক সহযোগীতা ও আইন শৃংখলা নিয়ন্ত্রণে সহযোগীতা করায় জেলা প্রশাসন, পুলিশ প্রশাসন, ও পৌর প্রশাসনসহ সকলকে তাদের পাশে থাকায় নন্দ স্মৃতি সংঘ ও পারিজাত সংঘ কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন।


মতামত জানান :

 
 
আরও পড়ুন
 
কপিরাইট © ময়মনসিংহ প্রতিদিন ডটকম - সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত | উন্নয়নে হোস্টপিও.কম