সংবাদ শিরোনাম

 

নিজস্ব প্রতিবেদক : বিশ্বে জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবেলার উপায় এবং আগের সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে জামার্নিতে অনুষ্ঠিত হবে জাতিসংঘ জলবায়ু সম্মেলন কপ-২৩ (ঈঙচ-২৩)। আগামী ৬ নভেম্বর থেকে এই সম্মেলন শুরু হবে। ১৭ নভেম্বর পর্যন্ত চলা এই সম্মেলনে বিশ্বের ১৯৭ দেশের প্রায় দশ হাজার প্রতিনিধি অংশ নেবেন।
জলবায়ু নিয়ে বিশ্বের সবচেয়ে বড় এ সম্মেলনে যোগ দেবে বাংলাদেশও। ২৮ সদস্যের প্রতিনিধি নিয়ে এই সম্মেলনে যোগ দেবেন বন ও পরিবেশমন্ত্রী আনোয়ার হোসেন মঞ্জু।
বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে মন্ত্রী বলেন, ‘বিশ্ব জলবায়ু সম্মেলনে এবারও আমরা আমাদের উদ্বেগের কথা তুলে ধরবো। তবে আপনারা আর এ বিষয়ে কোনো প্রশ্ন করবেন না। কারণ আমরা বড় দেশগুলোর সঙ্গে পারছি না। আমরা চেষ্টা করছি। এভাবেই আমাদের চলতে হবে। এছাড়া আমাদের কিছু করার নেই।’
মরক্কোতে গত জলবায়ু সম্মেলনের সিদ্ধান্ত অনুসারে দ্বীপ রাষ্ট্র ফিজি কপ-২৩র আয়োজক। তবে প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের দ্বীপ দেশটিতে এতবড় সম্মেলন আয়োজনের অবকাঠামোগত সুবিধা না থাকায় তাদের অনুরোধের পরিপ্রেক্ষিতে জার্মানির সহায়তায় বন শহরে আগামী নভেম্বরে এবারের জলবায়ু সম্মেলন হতে যাচ্ছে।
গত বিশ্ব জলবায়ু সম্মেলনের সিদ্ধান্তগুলোর বাস্তবায়ন নিয়ে জার্মানির বন শহরে গত সপ্তাহে হয়েছে কার্যকরী কমিটির বৈঠক (টঘঋঈঈ ঝই-৪৬)। সেখান থেকে নেয়া সিদ্ধান্ত অনুসারে এই সপ্তাহ থেকে কপ-২৩’র প্রস্তুতি নেয়া শুরু হয়েছে।
২০১৫ সালের প্যারিস চুক্তির আলোকে বৈশ্বিক জলবায়ু কার্যক্রমকে বিশ্বব্যাপী দ্রুত এগিয়ে নেয়ার অঙ্গীকারের মধ্য দিয়ে গতবছর মরক্কোর মারাকেশ জলবায়ু সম্মেলনে সিদ্ধান্ত হয়। মারাকেশ ঘোষণায় নির্মল প্রযুক্তির সহায়তায় বিলিয়ন ও মিলিয়ন ডলারের বহুমুখী প্যাকেজ এবং দক্ষতা বৃদ্ধিতে কর্মপরিকল্পনা গ্রহণের কথা বলা হয়।
উন্নয়নশীল দেশগুলোর জন্য পানি ও খাদ্য নিরাপত্তার বিষয়ে উদ্যোগ গ্রহণের কথা ঠাঁই পেয়েছে ওই ঘোষণায়। সেই সঙ্গে সরকারগুলো ২০১৮ সালের মধ্যে প্যারিস চুক্তি বাস্তবায়নের রূপরেখা প্রণয়নের যে সময়সীমা নির্ধারণ করেছে এবারের কপ-২৩’তে সে বিষয়ে আলোচনা হবে।


মতামত জানান :

 
 
আরও পড়ুন
 
কপিরাইট © ময়মনসিংহ প্রতিদিন ডটকম - সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত | উন্নয়নে হোস্টপিও.কম