সংবাদ শিরোনাম

 

নিজস্ব প্রতিবেদক : রোহিঙ্গা ইস্যুতে কমনওয়েলথ পার্লামেন্টারি অ্যাসোসিয়েশনের (সিপিএ) সম্মেলনে রেজুলেশন বা বিবৃতি দেওয়ার সুযোগ নেই বলে জানা গেছে। সিপিএ এর সংবিধান অনুযায়ী কোন ইস্যু এ সংস্থার সম্মেলনে এজেন্ডাভুক্ত করতে হলে কমপক্ষে ৬০ দিন আগে নোটিশ দিতে হয়। সম্মেলন ঘোষণার অনেক পরে রোহিঙ্গা ইস্যুটি সামনে এসেছে। কাজেই এটি এজেন্ডাভুক্ত হওয়ার সুযোগ নেই বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র মতে জানা গেছে।

তবে সিপিএ এর বিদায়ী চেয়ারপার্সন হিসেবে জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী বলেন, ‘সম্মেলনে রোহিঙ্গা ইস্যুটি এজেন্ডায় আনার সুযোগ না থাকলেও, যেহেতু আমি সিপিএ চেয়ারপার্সন এবং জাতীয় সংসদের স্পিকার তাই বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনায় নিয়ে সম্মেলনের কোন একটি ফোরামে আলোচনার চিন্তা করি। সে কারণে গত ৫ নভেম্বর বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সিপিএ ডেলিগেটসদের একটা বিশেষ ব্রিফিং করেছেন। এটা আমাদের কারণেই করতে পেরেছেন।’

এদিকে মঙ্গলবার (০৭ নভেম্বর) বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে সিপিসি’র সম্মেলনের সমাপনী দিনে জেনারেল এসেম্বলিতে ২৪টির মত ইস্যু নিয়ে সাধারণ আলোচনা হবে। সেখানে অন্যান্য বিষয়ের আলোচনার শেষ এজেন্ডা হিসেবে রোহিঙ্গা সমস্যা নিয়ে কথা বলার সুযোগ রয়েছে। এছাড়া সিপিএ’র বিদায়ী চেয়ারপার্সন ও জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী অতিথিদের উদ্দেশ্যে একটি সমাপনী বক্তব্য দেবেন, সেখানে রোহিঙ্গা ইস্যুটি সক্রিয়ভাবে বিবেচনা করা হবে।

শিরীন শারমিন চৌধুরী বলেন, সিপিএ এর বিধান অনুযায়ী আমাদের মূল প্রতিপাদ্য যেটা ছিল সেটার উপরেই আলোচনা হয়েছে। তাছাড়া সেদিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ব্রিফিং করার পর সিপিএ প্রতিনিধিরা জোরালো দাবি তুলেছিলেন রোহিঙ্গা ইস্যুতে সিপিএ কি ভূমিকা রাখবে। আমি তখন বলেছিলাম, সিপিএ এটা সক্রিয়ভাবে বিবেচনা করবে।


মতামত জানান :

 
 
আরও পড়ুন
 
কপিরাইট © ময়মনসিংহ প্রতিদিন ডটকম - সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত | উন্নয়নে হোস্টপিও.কম