সংবাদ শিরোনাম

 

নিজস্ব প্রতিবেদক : জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতির মামলা আত্মপক্ষ সমর্থনে অসমাপ্ত বক্তব্য দিতে এসে জামিনের মেয়াদ বৃদ্ধির জন্য আবেদন করেছেন বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া।

বৃহস্পতিবার সকাল পৌনে ১২টার দিকে রাজধানীর বকশীবাজারে আলিয়া মাদ্রাসায় স্থাপিত বিশেষ আদালতে হাজির হয়ে আইনজীবী ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদের মাধ্যমে জামিন আবেমন করেন তিনি। তবে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী মোশাররফ হোসেন কাজল এর বিরোধিতা করেন।

বিচারক ড. আখতারুজ্জামান এ বিষয়ে পরে আদেশ দেবেন জানিয়ে আত্মপক্ষ সমর্থন করে বক্তব্য দিতে বলেন। পরে বেলা ১২টা ৫ মিনিটে চতুর্থ দিনের মতো আত্মপক্ষ সমর্থনে বক্তব্য দেয়া শুরু করেন বিএনপি চেয়ারপারসন।

এর আগে গত ২ নভেম্বর খালেদা জিয়া দুই মামলায় স্থায়ী জামিনের আবেদন করলে বিচারক তা নাকচ করে দিয়ে মামলার শুনানির দিন আজ বৃহস্পতিবার পর্যন্ত জামিন মঞ্জুর করেন। এরপর তৃতীয় দিনের মতো আত্মপক্ষ সমর্থন করে বক্তব্য দেন সাবেক এই প্রধানমন্ত্রী।

আদালতে আসার জন্য আজ সকাল পৌনে ১১টার দিকে গুলশানের নিজ বাসা থেকে বের হন খালেদা জিয়া।

গত ২৬ অক্টোবর দুই মামলায় আত্মপক্ষ সমর্থন করে বিশেষ আদালতে দ্বিতীয় দিন বক্তব্য উপস্থাপন করেন খালেদা জিয়া। এর আগে ১৯ অক্টোবর আত্মপক্ষ সমর্থন করে প্রথম বক্তব্য দেন তিনি। ওই দিন জিয়া চ্যারিটেবল ও জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় বিশেষ আদালতে আত্মসমর্পণ করে এক লাখ টাকার মুচলেকায় জামিন পান তিনি।

জিয়া অরফানেজ ট্রাস্টের দুই কোটি ১০ লাখ ৭১ হাজার ৬৪৩ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ এনে খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানসহ ছয়জনের বিরুদ্ধে ২০০৮ সালের ৩ জুলাই রমনা থানায় মামলা করে দুদক।

২০১০ সালের ৫ আগস্ট খালেদা জিয়া ও তার ছেলে তারেক রহমানসহ ছয়জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করেন দুদকের উপপরিচালক হারুন আর রশিদ। ২০১৪ সালের ১৯ মার্চ খালেদা জিয়াসহ ছয়জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন ঢাকার তৃতীয় বিশেষ জজ আদালতের বিচারক বাসুদেব রায়।

মামলায় খালেদা জিয়া ও তারেক রহমান ছাড়া অন্য আসামিরা হলেন-মাগুরার সাবেক সংসদ সদস্য কাজী সালিমুল হক কামাল, ব্যবসায়ী শরফুদ্দিন আহমেদ, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সাবেক সচিব কামাল উদ্দিন সিদ্দিকী ও সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ভাগ্নে মমিনুর রহমান।


মতামত জানান :

 
 
আরও পড়ুন
 
কপিরাইট © ময়মনসিংহ প্রতিদিন ডটকম - সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত | উন্নয়নে হোস্টপিও.কম