সংবাদ শিরোনাম

 

নিজস্ব প্রতিবেদক : রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশে কক্সবাজারের ৩ হাজার ৫০০ একর বনভূমি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

শনিবার রাজধানীর গুলশানের একটি হোটেলে ‘রোহিঙ্গা সংকট মোকাবিলায় বাংলাদেশের করণীয়’ শীর্ষক এক সেমিনারে বেসরকারি গবেষণা সংস্থা সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি) এ তথ্য উপস্থাপন করে।

সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপনকালে ড. ফাহমিদা খাতুন বলেন, রোহিঙ্গা অধ্যুষিত এলাকায় সামাজিক বিপর্যয় দেখা দিয়েছে। জনসংখ্য বৃদ্ধি, স্বাস্থ্য ও স্যানিটেশন সমস্যা, স্থানীয় জনসাধারণের মধ্যে রোহিঙ্গাদের নিয়ে নেতিবাচক ধারণা দেখা দিয়েছে। রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশে কক্সবাজারে মোট ২০ লাখ ৯২ হাজার ১৬ একর বনভূমির মধ্যে ৩ হাজার ৫০০ একর বনভূমি ইতিমধ‌্যে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, যা উদ্বেগের বিষয়। শরণার্থী অধ্যুষিত এলাকায় বায়ুদূষণ, ভূমিধসের মতো ঘটনাও ঘটছে।

সেমিনারে আরো জানানো হয়, সিপিডি ও জাতিসংঘের শরণার্থীবিষয়ক হাইকমিশন (ইউএনএইচসিআর) গবেষণা করে দেখেছে, চলতি অর্থবছরের ১০ মাসে বাংলাদেশে বসবাসরত রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর জন্য ৮৮২ মার্কিন ডলার বরাদ্দ লাগবে।

রোহিঙ্গা সংকটের চ্যালেঞ্জ তুলে ধরে ফাহমিদা খাতুন বলেন, রোহিঙ্গা সংকটের কারণে বাংলাদেশ বহুমাত্রিক সমস্যায় পড়েছে। রোহিঙ্গা সংকটের সবচেয়ে বেশি প্রভাব পড়েছে অর্থনীতি, সমাজ ও পরিবেশের ওপর। এই তিন খাতে বাংলাদেশ নানা চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন হয়েছে। অর্থনীতিতে প্রভাব পড়ায় জীবনযাপনের ব্যয় বৃদ্ধি, কর্মসংস্থানের সংকট তৈরি হয়েছে। আর ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে পর্যটন।

বাংলাদেশে রোহিঙ্গাদের আসা শুরু হয় ১৯৭৮ সালে। এরপর থেকে বিভিন্ন সময়ে নির্যাতনের মুখে শরণার্থী হয়ে আসা রোহিঙ্গাদের সংখ্যা ৪ লাখ ছাড়ায়। গত ২৫ আগস্ট রাখাইনে সেনা নির্যাতন শুরু হলে রোহিঙ্গাদের অনুপ্রবেশে ঢল নামে। গত আড়াই মাসে নতুন করে আসাদের সংখ্যা ৬ লাখ ছাড়িয়েছে।


মতামত জানান :

 
 
আরও পড়ুন
 
কপিরাইট © ময়মনসিংহ প্রতিদিন ডটকম - সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত | উন্নয়নে হোস্টপিও.কম