সংবাদ শিরোনাম

 

নিজস্ব প্রতিবেদক : বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, ‘এ গণসমাবেশে সব নেতাকর্মীকে সর্বদা সতর্ক থাকতে বলা হচ্ছে যে, চরম উস্কানিতেও আপনারা ধৈর্য ধরে সমাবেশকে সফল করার জন্য সর্বাত্মক চেষ্টা করবেন।’
শনিবার দুপুরে রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।
সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে বিএনপি মহাসচিব বলেন, আমরা এ সমাবেশ করতে চাই, কিন্তু কেন তারা (সরকার) এ সমাবেশের অনুমতি দিয়েছে এটা তাদের ব্যাপার, তবে একটা কথা স্পষ্ট করে বলতে চাই যে, এছাড়া তাদের কোনো বিকল্প নেই।
আওয়ামী লীগ এতদিন পরে সমাবেশের অনুমতি কেন দিল? জানতে চাইলে বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘আমরা এ সমাবেশ করতে চাই, কিন্তু কেন তারা এ সমাবেশের অনুমতি দিয়েছে এটা তাদের ব্যাপার, তবে একটা কথা স্পষ্ট করে বলতে চাই যে, এছাড়া তাদের কোনো বিকল্প নেই। গণতান্ত্রিক ধারা তাদেরকে ফিরিয়ে আনতে হবে। নির্বাচনের পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে হবে এবং জনগণের আশা আকাঙ্ক্ষা পূরণ করতে হবে, তা না হলে তারা ইতিহাসের আস্তাকুঁড়ে নিক্ষিপ্ত হবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘আপনারা জেনেছেন যে, সরকার জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে যে জনসমাবেশ তার লিখিত অনুমতি এতদিন প্রদান করেনি, ঢাকা মেট্রোপলিটান পুলিশের সম্মতিপত্র আমাদের হাতে এসে পৌঁছেছে। ২৩টি শর্ত দিয়ে তারা আমাদের সমাবেশ পালন করার অনুমতি দিয়েছে।’
ফখরুল বলেন, ‘এ সরকার আসার পর থেকেই সমাবেশ অনুষ্ঠান ও ন্যূনতম গণতান্ত্রিক কোনো অনুষ্ঠান পালনে তারা একটা আইন করেছে। যেহেতু আমরা আইনের শাসনকে বিশ্বাস করি, আমরা চেষ্টা করি এ একটা প্রবর্তনমূলক আইন, তা মানতে। আমাদের শাসকদলের সাধারণ সম্পাদক, তিনি এ সমাবেশকে কেন্দ্র করে কয়েকটি কথা বলেছেন- বিএনপি যেহেতু সব সভা-সমাবেশে নিজেদের মধ্যে কোন্দল সৃষ্টি করে, সেহেতু তাদের অনুমতি দেয়ার ক্ষেত্রে পুলিশকে অনেক কিছু বিবেচনা করতে হয়। এটা আমরা বলি যে, এটা সর্বদা মিথ্যা, বিএনপি এখন পর্যন্ত এ মানের সমাবেশে কোনো বিশৃঙ্খলা করেনি, দুঃখজনকভাবে তাদের সমাবেশে প্রতিদিন আমরা খবরের কাগজে পাই যে, কোন্দল হচ্ছে, গোলমাল হচ্ছে। মারামারি এমনকি একে অপরকে হত্যা করছে। সাধারণ সম্পাদককে অনুরোধ করব- এ ধরনের ভিত্তিহীন তথ্য না দিয়ে এ রকম একটি গণতান্ত্রিক পরিবেশে চলে যাওয়ার জন্যে আমরা যে চেষ্টা করছি, সেই প্রক্রিয়াকে সমর্থন জানিয়ে পজিটিভ (ইতিবাচক) কথা বলুন।’
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন বিএনপি নেতা মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, আবদুল্লাহ আল নোমান, আহমদ আজম খান, নিতাই রায় চৌধুরী, হাবিব উন নবী খান সোহেল, খায়রুল কবির খোকন, হারুন অর রশীদ, শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানী, হাবিবুল ইসলাম হাবিব, শরাফত আলী সফু, ফজলুল হক মিলন, শরীফুল আলম ও আবদুস সালাম আজাদ প্রমুখ।


মতামত জানান :

 
 
আরও পড়ুন
 
কপিরাইট © ময়মনসিংহ প্রতিদিন ডটকম - সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত | উন্নয়নে হোস্টপিও.কম